৯:৪৮ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ধুনটে মতি কাজী হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তর

১৪ নভেম্বর ২০১৭, ০৭:৪৫ পিএম | সাদি


এম. আর আলম, বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার ধুনট উপজেলার বানিয়াগাঁতি মসজিদের ইমাম মতিউর রহমান হত্যা মামলা অপরাধ তদন্ত সংস্থার (সিআইডি) নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।  মঙ্গলবার সকালের দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত মতিউর রহমান মতি ধুনট উপজেলার বলারবাড়ি গ্রামের মোনছের আলীর ছেলে এবং গোপালনগর ইউনিয়নের বিবাহ নিবন্ধক (কাজী)।  তিনি বানিয়াগাতি বাজার মসজিদে তারাবির নামাজের ইমামতি করতেন।  বানয়িাগাতি বাজার মসজিদ থেকে মতির বাড়ির দুরুত্ব প্রায় এক কিলোমিটার। 

অন্যান্য রাতের ন্যায় ২০১৬ সালের ৩জুলাই রাত ১০টায় উক্ত মসজিদে ইমামতি শেষে বলারবাড়ি গ্রামে নিজ বাড়ির দিকে হেটে রওনা হন।  মসজিদ থেকে প্রায় ৫০০ গজ দুরে ফাঁকা রাস্তায় পৌছলে মতিকে কুপিয়ে হত্যা করে দূর্বৃত্তরা। 

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে ধুনট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  তবে থানায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারে কোন আসামীর নাম উল্লেখ ছিলা না।  পরবর্তীতে একই ঘটনায় ২০১৬ সালের ৪ আগষ্ট মর্জিনা খাতুন বাদী হয়ে বগুড়া আদালতে আরো একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।  ওই মামলায় ৬জনকে আসামি করা হয়। 

থানা পুলিশ মামলার ৬আসামীকে পর্যায়ক্রমে গ্রেফতার করেন।  আদালতে থেকে তাদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেও হত্যাকান্ডের বিষয়ে কোন তথ্য বের করতে পারেনি পুলিশ।  ফলে হত্যাকান্ডের দীর্ঘদিনেও মামলা তদন্তে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হলেও অন্ধকারেই রয়ে গেছে ইমাম হত্যার প্রকৃত রহস্য।  এ কারনে ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে চরম হতাশায় রয়েছেন নিহতের স্ত্রী।  এছাড়া একটি মহল হত্যাকান্ডের রহস্য ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছেন। 

নিহতের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন বলেন, মামলার এজাহারভুক্ত ৬ আসামীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে এনে তাদের জোরালো ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।  এ কারনে হত্যাকান্ড বিষয়ে মুখ খোলেনি আসামীরা।  ফলে হত্যার রহস্য উন্মোচনে অধিকতর তদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়। 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) ফারুকুল ইসলাম বলেন, বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে অপরাধ তদন্ত সংস্থার (সিআইডি) নিকট মামলার নথিপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।  বর্তমানে বগুড়ার সিআইডি ইন্সপেক্টর সেলিম মালিক মামলাটি তদন্ত করছেন।