৫:২২ পিএম, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১ রবিউস সানি ১৪৪০




নওগাঁয় চালের দাম কমেছে

১৪ মার্চ ২০১৮, ০৭:০৪ পিএম | নকিব


আব্দুল মান্নান, নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁয় খুচরা ও পাইকারি বাজারে সব ধরনের চালের দাম কমেতে শুরু করেছে।  সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচী (ওএমএস) ও ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি শুরু হওয়ায় গত সপ্তাহ থেকে প্রকার ভেদে চালের দাম কমছে।  ফলে স্বস্থি ফিরেছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মাঝে। 

সরকারি নজরদারি অর্থাৎ মজুদ বিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করলে আগামীতে চালের দাম আরো কমবে বলে জানিয়েছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল বাজার সূত্রে জানা যায়, প্রতি কেজি স্বর্ণা ৩৮-৪০ টাকা, পাইজাম ৫৮-৬০ টাকা, নাজিরশাইল ৫০-৫২ টাকা, রনজিত ৪২-৪৩ টাকা, ৪৯ চাল ৪৫-৪৬ টাকা, সম্পা কাটারি ৪৬-৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।  পূর্বে ছিল কেজি প্রতি ২-৩ টাকা বেশি।  

৫ মার্চ থেকে সরকারে এ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওএমএস ও ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি শুরু হয়।  বিদেশ থেকে চাল আমদান করা এবং নওগাঁর মিল ব্যবসায়ীরা (মজুদদাররা) বাজারে চাল সরবরাহ করায় যা গত সপ্তাহ থেকে প্রকার ভেদে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চাল ২-৩ টাকা কমেছে। 

পাইকারি চালের বাজারে বস্তা প্রতি কমেছে ২০০-২৫০ টাকা।  ফলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে কিছুটা স্বস্থি ফিরে এসেছে।  খাদ্য বান্ধব কর্মসূচীটি সারা বছর চালু রাখার দাবী জানিয়েছেন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীরা।  দফ

ায় দফায় বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারনদের নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছিল।  সরকার চালের বাজার নিয়ন্ত্রনে রাখতে খোলা বাজারে ওএমএস চাল বিক্রি শুরু করেছে। ক্ষুদ্র চাল ব্যবসায়ী রিংকু বলেন, খোলা বাজারে চাল বিক্রি হওয়ায় কমেছে চালের দাম।  ফলে বেঁচা কেনাও কমেছে।  ক্রেতা না আশায় বেঁচা কেনার অবস্থা খুবই খারাপ।  সারাদিনে ১ হাজার টাকারও বেঁচা কেনা হচ্ছেনা। 

নওগাঁ পৌর ক্ষুদ্র চাল বাজার সমিতির সাধারন সম্পাদক উত্তম কুমার সরকার বলেন, চালের বাজার কমতে শুরু করেছে।  প্রকার ভেদে কেজিপ্রতি ২-৩ টাকা কমেছে।  পাইকারিতে চালের বাজারে বস্তা প্রতি কমেছে ২০০-২৫০ টাকা।  সরকারি নজরদারি অর্থাৎ মজুদ বিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করলে আগামীতে চালের দাম আরো কমার সম্ভবনা রয়েছে। 

নওগাঁ জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বলেন, ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণ চাল আমদানিকারকরা আমদানি করেছে এবং আমদানি অব্যহৃত আছে।  এর ফলশ্রুতিতে বিভিন্নস্থানে ব্যাপক পরিমান চালের মজুদ গড়ে উঠেছে।  সঙ্গতকারণে চালের বেঁচাকেনা কমে গেছে।  সরকারে এ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ওএমএস ও ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি চালু হওয়ায় প্রতিকেজি চাল ২-৩ টাকা কমেছে।  বর্তমানে যে বাজার চলছে আগামীতে চালের দাম আরো কমার লক্ষন দেখা দিয়েছে। 

তিনি আরো বলেন, আগামী ইরি-বোরো মৌসুমে কৃষকরা ধানের ন্যায্যমূল্য নাও পেতে পারে।  এতে কৃষকরা লোকসানের সম্মুখীন হলে ধানের আবাদ না করে অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকে পড়বে।  তাই প্রকৃত সমীক্ষার মাধ্যমে এলসি বা আমদানির ব্যাপারে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।