৪:২৭ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার | | ৮ সফর ১৪৪০


নওগাঁয় বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

১০ জুন ২০১৮, ০৬:১০ পিএম | জাহিদ


আব্দুল মান্নান, নওগাঁ প্রতিনিধি : বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামালায় জেলে রেখে সু-চিকিৎসা না দেয়ায় প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে নওগাঁ জেলা বিএনপি। 

রবিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের কেডির মোড় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি মিছিল বের করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়।  এরপর সেখানে সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সমাবেশ করে। 

এসময়  জেলা বিএনপির সভাপতি ও পৌর মেয়র আলহাজ্ব নজমুল হক সনির সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু, যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল ইসলাম টুকু ও আমিনুল হক বেলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক মামুনুর রহমান রিপন ও শফিউল আজম ওরফে ভিপি রানা, হাফিজুর রহমান, জেলা যুবদলের সভাপতি বায়েজিদ হোসেন পলাশ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  বক্তারা অবিলম্বে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সু-চিকিৎসার দাবী জানান। 

অপরদিকে, প্রতিবাদ সভা চলাকালীন সময়ে জেলা ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটি ‘মানি না মানব না, এই কমিটি পকেট কমিটি, টাকার বিনিময়ে অবৈধ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে।  নতুন কমিটি অবৈধ আখ্যা দিয়ে বার বার শ্লোগান দেন জেলা ছাত্রদলের নব কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি রোমিও, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক আব্দুল কাদের রাসেল ও প্লাবনসহ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দরা। 

৫ জুন’১৮ নওগাঁয় জেলা ছাত্রদলে রুবেল হোসেন রুবেলকে সভাপতি ও মুমিন বিন ইসলাম দোহাকে সাধারন সম্পাদক করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আংশিক কমিটি গঠন করা হয়।  ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আকরামুল হাসান এ কমিটির অনুমোদন করেন।  দীর্ঘ ১১ বছর পর ছাত্রদলের এ কমিটি ঘোষনা করা হয়।  এতোদিন খাইরুল আলম গোল্ডেন আহ্বায়ক হিসেবে ছাত্রদলে নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন।  বর্তমানে তিনি নবা কমিটি যুবদলের সাধারন সম্পাদক।  তবে দীর্ঘদিন পরে ছাত্রদলের কমিটি গঠন করা হলেও ত্যাগী নেতৃবৃন্দরা ছাত্রদল কমিটিতে যথেষ্ট মূল্যায়ন করা হয়নি।  ফলে অনেকের মধ্যেই ক্ষোভে সৃষ্টি হয়েছে। 

নওগাঁ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ধলু বলেন, ছাত্র ক্যাটাগরিতে অর্থ্যাৎ ২০০০ সালের যারা এসএসসি পাশ করেছে এবং যারা রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত তাদেরকেই ছাত্রদলের কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে।  অর্থ্যাৎ সম্পন্ন যোগ্যতার দিক বিবেচনা করে ছাত্রদলের নব কমিটিতে বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন পদ দেয়া হয়েছে।  এখানে টাকা-পয়সার কোন দেনদরবারের ঘটনা ঘটেনি। 


keya