৯:৩০ এএম, ১৯ আগস্ট ২০১৮, রোববার | | ৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


নেছারাবাদে সেপটিক ট্যাংকি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৬:০৮ পিএম | সাদি


মুহাঃ দেলোয়ার হোসাইন, পিরোজপুর সংবাদদাতা : পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোহাগদল গ্রামের একটি বাড়ির সেপটিকট্যাংকি  থেকে পুলিশ বুধবার সকালে এক ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালকের বস্তাবন্দি  লাশ উদ্ধার করেছে।  পুলিশ এ ঘটনায় গৃহকর্তী রেহানা ও তার ছেলে তানজিমকে গ্রেফতার করেছে।  ওই মোটর সাইকেল চালকের নাম মিলন।  সে একই উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের রাজাবাড়ি  গ্রামের  হাজিবাড়ি এলাকার মোঃ  শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।  নেছারাবাদ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এরপর তিনি বলেন, সোহাগদল গ্রামের সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির সেপটিক ট্যাংকি থেকে উৎকট গন্ধ বের হলে স্থানীয় লোকজন পুলিশে খবর দেয়।  বুধবার সকালে  সেপটিক ট্যাংকি থেকে মিলনের লাশ উদ্ধার করার পর ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠনো হয়েছে। 

নেছারাবাদ সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার কাজী শাহনেওয়াজ  জানান, এ ঘটনায় বুধবার সকালেই  গৃহকর্তী রেহানাকে প্রথমে আটক করা হয়।  এরপর  তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী বরিশাল শহর থেকে তার ছেলে তানজিমকে  নিহত মিলনের খোয়া যাওয়া মোটর সাইকেল সহ আটক করা হয়।  

বলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন আহমেদ জানান, মিলনের বাবা শাহাদাৎ হোসেন একজন মাংস বিক্রেতা।  আর মিলন ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক ।   তিনি বলেন, ৪ দিন আগে মিলন নিখোঁজ হয়।  ১১ ফেব্রুয়ারী  তার বাবা এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন।  সোহাদল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ জানান, তাজিনের বাবা সিদ্দিকুর রহমান ঢাকায় সুতার ব্যবসায় করেন।  ওই এলাকার মেম্বার আদমআলী জানান তানজিম নামের এ ছেলেটি বখাটে সে এলায় একজন মোবাইল ফোন চোর নামে খ্যাত।  পুলিশ ধারণা করছে  মোটর সাইকেল আত্মসাৎ করার জন্য চালক মিলনকে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়েছিল।