১০:২২ এএম, ১৬ জুলাই ২০১৯, মঙ্গলবার | | ১৩ জ্বিলকদ ১৪৪০




নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শোক দিবস পালন

১৫ আগস্ট ২০১৮, ০৯:০৯ পিএম | মাসুম


এস.এম.মহিউদ্দিন সিদ্দিকী জাককানইবি প্রতিনিধি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়। 

বুধবার (১৫ আগস্ট) প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করার মাধ্যমে শোক দিবসের অনুষ্ঠান শুরু করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম মোস্তাফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন। 

জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন উপাচার্য, ট্রেজারার প্রফেসর মো. জালাল উদ্দিন, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, হলের প্রভোস্টগণ, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা পরিষদসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।  এসময় শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।  পুষ্পস্তবক অর্পণের পর শোক র‌্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘গাহি সাম্যের গান’ মঞ্চে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।  সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. গাজী সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘একটি পিঁপড়া হাতিকে যেভাবে দেখে, ঠিক সেভাবে আমি বঙ্গবন্ধুকে দেখি।  মুক্তিযুদ্ধ আসলে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শুরু হয় নি, ৩ মার্চ চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে শুরু হয়েছিল।  ঐদিন বিহারিদের সাথে বঙ্গবন্ধুর অনুসারীদের সংঘর্ষে তিনজন শহীদ হন।  এই পাহাড়তলীতে আমার বাবাকে জবাই করে হত্যা করা হয়।  তাই পাহাড়তলীকে বধ্যভূমি ঘোষণার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ’ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘শুধু স্লোগানে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না, জ্ঞানার্জনও করতে হবে। ’

আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘আজ শুধু আমাদের বাংলাদেশের মানুষের জন্যই শোকের দিন নয়, যে মানুষ বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সম্মান করেন, তাঁর আদর্শকে ধারণ ও লালন করেন, বিশ্বের সেই সকল মানুষের জন্য আজ শোকের দিন।  বঙ্গবন্ধুর অবস্থান আমাদের হৃদয়ে।  সুতরাং সেই মহান ব্যক্তিকে মুছে ফেলার মতো কোনো শক্তি পৃথিবীতে নাই। ’

বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।  মিলাদ ও দোয়া মাহফিল শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়।  দিবসটি উপলক্ষ্যে চারুকলা বিভাগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আয়োজনে ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনীও অনুষ্ঠিত হয়।