১১:২৭ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

নাটোরের তমালতলা কৃষি ও কারিগরি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০১:৫৭ পিএম | নিশি


মোঃ রাশেদুল ইসলাম, নাটোর প্রতিনিধি :  নাটোর বাগাতিপাড়া উপজেলার তমালতলা কৃষি ও কারিগরি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ পরিমল কুন্ডুর বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। 

স্থানীয়ওরা জানায় , মামলার বাদী উক্ত কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা এড. মাজেদ উর রহমান চাঁদ।  কৃষি ও কারিগরি কলেজের অনার্স ভবনের পশ্চিম পার্শ্বে ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ী করার জন্য ২৫ হাজার ইট রাখে। 

পরে তিনি ওই ক্রয়কৃত জমিতে বাড়ী করতে গেলে অধ্যক্ষ পরিমল কুন্ডু, উপাধ্যক্ষ বাবুল আক্তার, কৃষি শিক্ষক বিপ্লব হোসেন সবুজ, পিয়ন তহির উদ্দিন ও রেজাউল করিম এবং নৈশ প্রহরী মকবুল হোসেন বাধা দেয়।  বাদী বাড়ী তৈরী বন্ধ রাখে এবং বিষয়টি নিষ্পত্তির পর পুনরায় বাড়ীর কাজ শুরু করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। 

এরই মধ্যে উক্ত ব্যক্তিগণ বাদীর ক্রয়কৃত ইটগুলো জোর করে কলেজের কাজে ব্যবহার করেন।  বর্তমানে অল্প কিছু ইট রয়েছে সেখানে।  এ ঘটনায় অধ্যক্ষসহ উক্ত ব্যক্তিগণকে আসামী করে গত ০৬.০৯.১৭ইং তারিখে বাগাতিপাড়া মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। 

বিষয়টি পুলিশ সুপার বিজয় বিপ্লব তালুকদার অবগত হলে সুষ্ট তদন্তর জন্য নাটোর সদর সার্কেল এসপি আবুল হাসনাতকে তদন্তের নির্দেশ দেন ।  পরে তিনি ৯ই সেপ্টেম্বর  ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন এবং বাদী-বিবাদী নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে ঘটনা শুনেন। 

বাদী তমালতলা কৃষি ও কারিগরি ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ এড. মাজেদ উর রহমান চাঁদ জানান, জমির খারিজের ডিসি আর, ২৮শতাংশ জমির খাজনার রশিদ, খতিয়ান ও ২৫ হাজার ইট ক্রয়ের রশিদ সকলের সামনে উপস্থাপন করেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট কপি হস্তান্তর করেন। 

এ সময় কলেজের পরিচালনা নির্বাহী কমেটির সাবেক সদস্য ও বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোঃ আবুল হোসেন, সাবেক সদস্য, বাগাতিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেকেন্দার আলীসহ উপস্থিত অনেকে বাদীর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

তমালতলা কৃষি ও কারিগরি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ পরিমল কুন্ডু ইট নেয়ার কথা স্বীকার করে ইট ও জমি কলেজের টাকায় ক্রয় বলে দাবী করেন।  কিন্তু তিনি তাৎক্ষণিক কোন কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। 

ইতোপূর্বে এই অধ্যক্ষ বাদী হয়ে সাবেক অধ্যক্ষ চাঁদ এর নামে কলেজের মূল্যবান কাগজপত্র গোপন করেছেন মর্মে আদালতে মামলা দায়ের করেন।  আদালত বিবাদীর বাড়ী তল্লাশীর হুকুম জারী করে। 

সদর থানা পুলিশ কর্মকর্তা তার নাটোর শহরের বাড়ীটি তল্লাশী করে কোন কাগজপত্র না পাওয়ায় মামলাটি খারিজ হয়ে যায়।