৯:২৪ পিএম, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪১




নতুন মুদ্রানীতির ধরণ নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বৈঠক

৩০ নভেম্বর -০০০১, ১২:০০ এএম |


এসএনএন২৪.কম ডেস্ক : মুদ্রানীতি প্রণয়নের সঙ্গে জড়িত এক কর্মকর্তা বলেন, আগামী ২৪ জানুয়ারি নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।  নতুন মুদ্রানীতির ধরণ নিয়ে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি সভা হয়েছে।  বেশ কিছু পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।  আগামী ১৭ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বৈঠক হবে।  এর আগে মুদ্রানীতির বিষয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে অর্থনীতিবিদদের সঙ্গেও বৈঠকের আয়োজন করা হবে। 

সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ২৪ জানুয়ারি চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক।  আসন্ন এই মুদ্রানীতিতে ঋণ বাড়ানোকে মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।  কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে সরকারের জাতীয় প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ দশমিক ২ শতাংশ।  জাতীয় প্রবৃদ্ধির এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে ঋণপ্রবাহ বাড়াতে হবে।  কিন্তু বিনিয়োগ মন্দায় ব্যাংকের ঋণ চাহিদা নেই।  এ কারণে বেড়ে গেছে অলস অর্থের পরিমাণ। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে ব্যাংক খাতে অতিরিক্ত তারল্য রয়েছে ১ লাখ ২৬ হাজার ৩২৪ কোটি টাকারও বেশি।  পাঁচবছর আগেও দেশে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহের প্রবৃদ্ধি ছিল ২৫ শতাংশের ওপরে।  অথচ চলতি অর্থবছরের সেপ্টেম্বর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। 

নতুন মুদ্রানীতির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের শীর্ষ এক কর্মকর্তা বলেন, অতিরিক্ত তারল্য এখন ব্যাংক খাতের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।  এ কারণে নতুন মুদ্রানীতিতে গুণগত ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা থাকবে।  বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী সভায় মুদ্রানীতির অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসাবে গুণগত ঋণ প্রবৃদ্ধিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।  ওই সভায় বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর ফজলে কবির সভাপতিত্বে তিন ডেপুটি গভর্নর এস কে সুর চৌধুরীসহ সব নির্বাহী পরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সব বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিতি ছিলেন বলেও জানান তিনি। 

প্রসঙ্গত, মুদ্রানীতির অন্যমত কাজ বাজারে টাকার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা।  বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ১ শতাংশ রয়েছে।  অর্থবছরের প্রথম মুদ্রানীতিতে (জুলাই-ডিসেম্বর) মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।  এই হিসাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক সফল হয়েছে। 

পিডি


keya