২:০২ পিএম, ১২ ডিসেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

নানা অনিয়মে ধুঁকছে নতুন-পুরনো অনেক ব্যাংক

০৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৮:৪২ এএম | নিশি


এসএনএন২৪.কম : খেলাপি ঋণ, মূলধন ঘাটতিসহ নানা অনিয়মে ধুঁকছে নতুন-পুরনো অনেক ব্যাংক।  এই অবস্থায় নতুন ব্যাংক নয় বরং পুরনো ব্যাংকের মান বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।  তবে সরকার বলছে বেশি সংখ্যক মানুষকে সেবার আওতায় আনতেই অনুমোদন পাচ্ছে নতুন ব্যাংক। 

সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে দেশে ব্যাংক আছে ৫৭টি।  আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৩।  মোবাইল ও এজেন্ট ব্যাংকিং সেবাও চালু করেছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।  কিন্তু বিআইবিএমের হিসেবে দেশের প্রায় ৪০ ভাগ মানুষ এখনও ব্যাংকিং সেবার বাইরে।  এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সেবার আওতায় আনতে ৩টি নতুন ব্যাংক অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

সবশেষ ২০১২ সালে একসাথে অনুমোদন পায় ৯টি ব্যাংক।  রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে এর মধ্যে ৩টি দেয়া হয় প্রবাসী উদ্যোক্তাদের।  তবে চার বছরেও রেমিট্যান্স বাড়াতে ব্যাংকগুলি তেমন সাফল্য দেখাতে পারেনি।  গত বছর এই ৩ ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স আসে মাত্র ৫২ লাখ ডলার।  বিদেশি ব্যাংকের সাথে হিসাব খুলতে পারেনি ৯ ব্যাংকের কোনটিই।  চরম অনিয়মে তারল্য সঙ্কটে ফারমার্স ব্যাংক।  পুরনো ব্যাংকগুলোতেও বাড়ছে খেলাপি ঋণ।  মূলধন যোগান দিয়ে বাঁচিয়ে রাখতে হচ্ছে সরকারি ব্যাংকগুলোকে। 

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এমন নাজুক পরিস্থিতিতে নতুন ব্যাংক অনুমোদন দেয়া হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।  ব্যাংক খাতে দক্ষ কর্মী সংকট প্রকট হবে বলেও সতর্ক করছেন তারা। 

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে সেবার আওতায় আনতে জোর দিতে হবে এজেন্ট ব্যাংকিং এ।  পাশাপাশি সরকারি ব্যাংকের অবকাঠামো ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে বেসরকারি ব্যাংককে।