৯:১৮ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৯ মুহররম ১৪৪০


নোবিপ্রবিতে ১৩৩কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা

১০ জুলাই ২০১৮, ০৮:৫০ পিএম | মাসুম


ওসমান গনী, নোবিপ্রবি প্রতিনিধি : নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের জন্য ১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।  এর মধ্যে রাজস্ব ব্যয় সংবলিত মূল অনুন্নয়ন বাজেট ৫৬.৬২ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন বাজেট ৭৭ কোটি টাকা, যা মোট ১৩৩ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। 
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম, ভৌত ও একাডেমিক সুবিধা বৃদ্ধিকরণ, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও সাধারণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগামী এক বছরের ব্যয় হিসাব এই বাজেটে অন্তর্ভুক্
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন-২ এর ভিডিও কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাজেট পেশ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান। 
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আবুল হোসেন, বিভিন্ন অনুষদ সমূহের ডিন, ইনস্টিটিউট সমূহের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পরিচালক হিসাব, প্রক্টর, দপ্তরসমূহের পরিচালক ও প্রধানবৃন্দ, শিক্ষক সমিতি ও অফিসার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন মিডিয়ার স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। 
প্রস্তাবিত মূল রাজস্ব বাজেটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৭৭ লাখ টাকা।  বেতন-ভাতা বাবদ বরাদ্দ ৩৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা যা মোট বাজেটের প্রায় ৫৯ শতাংশ।  সরবরাহ ও সেবা খাতে ১৫ কোটি ৮২ লাখ টাকা যা বাজেটের ২৮ শতাংশ।  এছাড়া মেরামত ও সংরক্ষণ এর ব্যয় হবে ১ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং মূলধন মজ্ঞুরী খাতে ব্যয় হবে ৬ কোটি টাকা যা বাজেটের ১১ শতাংশ। 
প্রস্তাবিত উন্নয়ন বাজেটে ‘নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত ও একাডেমিক সুবিধা বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পে বৈজ্ঞানিক ও ল্যাব যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ১২ কোটি টাকা এবং আবাসিক ভবন নির্মাণে ২৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 
এছাড়া একাডেমিক ভবন, লাইব্রেরি ভবন, অডিটোরিয়াম ভবন, মসজিদ, উপাসানলয় ও মেডিকেল সেন্টার নির্মাণে ২২ কোটি ৮৩ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 
প্রতিবারের ন্যায় এবারও বাজেটের আয়ের উৎস বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুদান ও নিজস্ব আয়।  এবার ইউজিসি দেবে ৪৮ কোটি ২০ লাখ টাকা আর বাকি ৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা আসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে।  অভ্যন্তরীণ আয়ের উৎস হচ্ছে শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে আদায় করা ফি, দালান ও ভূসম্পত্তি থেকে আয় ও বিবিধ প্রাপ্তি।