৮:০৮ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১৩ রজব ১৪৪২




নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলার চেষ্টা- র‌্যাব, পুলিশের সহযোগিতায় তিনটি বালু মহাল ধ্বংস

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১১:০৫ এএম |


প্রদীপ শীল, রাউজানঃ রাউজানের সর্তা খালে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী কর্তৃক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসিত দশী চাকমার উপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। 

২২ ফেব্রুয়ারী সোমবার সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ফটিকছড়ি সীমান্তবর্তী ধর্মপুর ইউনিয়নের আঁধারমানিক তুলাতুলি এলাকায়। 


জানা যায়, স্থানীয় বালু উত্তোলনকারী খায়রুল ইসলামের পুত্র কামালের নেতৃত্বে ১০/১৫ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপর হামলার চেষ্টা করে।  এসময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে এলাকা না ছাড়লে হত্যার হুমকী দেয়। 

এসময় অনেকটা সন্ত্রাসীদের হাতে আটকা পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।  খবর পেয়ে রাউজান থানা পুলিশ ও ছটিকছড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। 

পরে উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির সোহাগের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি টিম উপস্থিত হয়ে সন্ত্রাসী কালামের অবৈধ বালু মহাল ধ্বংস করে দেয়।  র‌্যাব, পুলিশ, আনসার ও ফটিকছড়ি থানার আরো অতিরিক্ত পুলিশের সহযোগিতায় অবৈধ বালু উত্তোলনকারী সন্ত্রাসী কালামের দুইটি পাম্প মেশিন নষ্ট করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়।  এছাড়া আড়াই হাজার ফুট পাইপ কেটে টুকরো টুকরো করে দেয়া হয়। 

এর আগে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অসিত দশী চাকমা হলদিয়া ইউনিয়নের হচ্ছারঘাট এলাকায় স্থানীয় জমিরের মালিকানাধীন একটি বালু মহাল ধ্বংস করে।  বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে যৌথ অভিযানে হলদিয়া বড়–য়া পাড়া এলাকার সর্তার খালে অবৈধ বালু উত্তোলন করার সময় আরো একটি বালু মহাল ধংস করা হয়।  মোট তিনটি বালু মহাল বন্ধ করে চারটি পাম্প মেশিন জ¦ালিয়ে দেয়া হয়।  সাথে প্রায় পাচঁ হাজার ফুট পাইব লাইন কেটে দেয় দুই নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নেতৃত্বে। 

অভিযান পরিচালনা কালে আরো উপস্থিত ছিলেন, রাউজান উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা নিয়াজ মোরশেদ, স্থানীয় চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম, যুবলীগ নেতা হাসান মুরাদ রাজু, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ আলী প্রমূখ। 

অভিযান প্রসঙ্গে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ জানান, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের বাধাঁর মূখে পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি।  সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলারও চেষ্ঠা করে।  আমি খবর পেয়ে ।  র‌্যাব, পুলিশ, আনসার ও ফটিকছড়ি থানার আরো অতিরিক্ত পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে তিনটি বালু মহাল ধংস করি।  বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত মেশিন ও আসবাবপত্র ধ্বংস করি।  স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, বালু উত্তোলনকারীরা ফটিকছড়ি উপজেলার।  তারা রাউজান সীমান্তে এসে বালু উত্তোলন করে থাকে। 


keya