১০:৫৩ পিএম, ২১ জানুয়ারী ২০১৮, রোববার | | ৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

নায়কদের ছাপিয়ে এই তিন নায়িকা!

১০ জানুয়ারী ২০১৮, ০৪:৪৮ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : বলিউড অভিনেত্রী মানেই সুন্দরী, নাচে পারদর্শী, রিল লাইফের হিরোর সঙ্গে প্রেম, ভিলেনের সঙ্গে খটমট।  যুগ যুগ ধরে চলা আসা এই স্টাইলের বাইরেও যে সিনেমা হিট করানো যায়, অভিনয়ের জোরে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের টেনে আনা যায় তা কয়েকজন অভিনেত্রী একাধিকবার প্রমাণ করেছেন। 

অবশ্য পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বক্রদৃষ্টি এবং ধারালো সমালোচনার মুখে তাদের পড়তে হয়েছে বারবার।  কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা দমে না গিয়ে স্রোতের বিপরীতে গা ভাসিয়ে দিয়েছেন।  প্রথা ভেঙে নতুন চরিত্রে কাজ করার সাহস দেখানো সেই সব অভিনেত্রীদের নিয়েই এই প্রতিবেদন। 

বিদ্যা বালন

জিরো ফিগারের অধিকারিণী না হলেও দর্শকদের কাছে সাহসী অভিনেত্রী হিসাবে নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন বিদ্যা বালন।  ‘দ্য ডার্টি পিকচার’-এ স্বল্পবসনা সিল্ক স্মিতা বা ‘কাহানি’র বিদ্যা বাগচীর চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছিল।  ২০০৫ সালে ‘পরিণীতা’ সিনেমায় ললিতা চরিত্রে অনবদ্য অভিনয়ের জোরে লাইমলাইটে এসেছিলেন বিদ্যা।  এরপর ‘দ্য ডার্টি পিকচার’ ‘কাহানি’, ‘নো ওয়ান কিলড জেসিকা’, ‘ইশকিঁয়া’, ‘ভুল ভুলাইয়া’, ‘বেগমজান’-এর মতো সিনেমা অবলীলায় তাকে সাহসী অভিনেত্রীর তকমা এনে দেয়। 

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

২০০২ সালে তামিল সিনেমা ‘থামিঝান’ দিয়ে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার কেরিয়ার শুরু।  বলিউডে পরপর ছবি করলেও তাকে খ্যাতি এনে দেয় ‘অ্যায়তরাজ’।  সিনেমায় অক্ষয়কুমার, করিনা কাপুর এবং অমরীশ পুরীর মত তাবড় তাবড় অভিনেতা থাকা সত্ত্বেও অভিনয়ের জোরে তাদেরকে ছাপিয়ে যান প্রিয়াঙ্কা।  ছবিতে নেগেটিভ চরিত্রে প্রিয়াঙ্কার দুরন্ত অভিনয় তাকে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড এনে দেয়।  ক্যারিয়ারের শুরুতেই বিপরীতধর্মী এই চরিত্রে অভিনয় সাহসী পদক্ষেপ হিসাবে দর্শক মহলে যথেষ্ট প্রশংসিত হয়েছিল।  সম্প্রতি বলিউড ছেড়ে হলিউডে পাড়ি দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা।  ‘বেওয়াচ’ সিনেমায় তেল ব্যবসায়ী ভিক্টোরিয়া লিডসের ভূমিকায় নেগেটিভ চরিত্র করেছেন তিনি।  ট্যুইটে লেখেন ‘খারাপ হওয়ার মজাই আলাদা। ’

কঙ্কনা সেন শর্মা

মা ডাকসাইটে সুন্দরী অভিনেত্রী।  মেয়েও অভিনয়কে পেশা করেছেন।  অপর্ণা সেনের কন্যা কঙ্কনা সেনশর্মা প্রতিভা এবং সাহসের জোরে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করেছেন।  বলিউডে অপর্ণার ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস আইয়ার’ ছবিতে অনবদ্য অভিনয় করে সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পান তিনি।  পার্শ্ব-চরিত্রে সেরা অভিনয়ের জন্য একাধিকবার ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পেয়েছেন।  ‘পেজ থ্রি’, ‘ওমকারা’, ‘ট্রাফিক সিগন্যাল’, ‘লাইফ ইন আ মেট্রো’সহ বিভিন্ন ছবিতে তার অনবদ্য অভিনয় দর্শক মহলে প্রশংসিত।  ‘এক থি ডায়েন’ সিনেমায় ডাইনি চরিত্রে তার অভিনয় মন কেড়েছিল দর্শকদের।  শুধুমাত্র একই ধরনের চরিত্রে অভিনয় না করে সিনেমার চিত্রনাট্যের প্রয়োজন অনুযায়ী নিজের অভিনয়ে রকমফেরই তাকে সাহসী অভিনেত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। 

Abu-Dhabi


21-February

keya