১:৫৭ পিএম, ২১ নভেম্বর ২০১৭, মঙ্গলবার | | ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

ঈদের শেষ দিনের ছুটিতে

পতেঙ্গা সমূদ্র সৈকতে দর্শনার্থীর উপছে পড়া ভিড়

০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০৭:৫৯ এএম | নিশি


এন এ খোকন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট : নগরীর পতেঙ্গায় কোরবানীর ঈদ শেষ সময়ের ছুটি কাটাতে ও বিনোদনে নাগরিক সভ্যতায় কিছুটা স্বস্তির নিঃস্বাশ ফেলতে চট্রলার পর্যটন কেন্দ্র সমূদ্র সৈকত(সী-বিচ) লাখ দর্শনার্থীর মিলন মেলায় লোকে লোকারণ্য ছিল দেখার মতো।  ঈদের ছুটি শেষ বিকেলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সীর মানুষ খানিকটা মনের প্রশান্তি দূর করতে বিচে আসে দল বেধেঁ। 

মঙ্গলবার বেলা বাড়ার সাথে সাথেই বিভিন্ন যানবাহন যোগে সৈকত তীরে রঙচঙ্গা জমাপড়ে পাথরের বক্লে বসে কিছু সময় কাটান ব্যস্ত নাগরিকগণ।  মানুসের এই বিশার জনস্রোত দেখে বিখ্যাত ভ্রমন লেখক সৈয়দ মোস্তফা আলী’র পথে প্রবাসে বইটির কথা বারবার মনে পড়ে গেল। 

সেই জন্য তো বিচের  আশ–পাশে বিভিন্নি স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ফসরা সাজানো দোকানগুলোর দিকে চোখ যেতেই দেখা যাই মজার মজার রসালো খাবার ডিস তরে তরে সাজানো।  এক একটি  দোকানে এক এক রকম দাম-দর, আবার সৈকতের নিচেই নানা রঙের মুখরোচক খাদ্য ।  বেশ বেশ মিলনের হাট যেন সাগরের ভিজে বালুকে পায়ের গর্জনে শুকিয়ে কুড়মুড়ে মুড়ির মতো করে তোলে। 
পিছনে  ভাদ্রের শেষ বিকেলের লাল সূর্য্যি মামা নানাবাড়ী থেকে বিদায় নিতেই আকাশ পানে কালো মেঘের ছায়াকে ঢেকে দিয়ে সন্ধ্যা কে আগামী দেন। 

এর মাঝে বিচ বেপারীরা সাময়িক বিনোদনের জন্য সী-বোট,স্প্রীটবোট,বৈঠা বোট,বিজ বাইক,অচল ঘোড়া,ইচ্ছে ঘুঁড়ি এবং ক্লিক-ক্লিক ফ্ল্যাস(ফটোম্যান)।  যারা আগত দর্শনার্থীদের কিছুটা আনন্দ দিয়ে ভুলিয়ে দেন লুকিয়ে থাকা মনের যন্ত্রনা টুকু। 


পতেঙ্গা বীচ কে ঘিরে আরো বেশ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র গড়ে উঠেছে।  সেগুলো হল-নেভাল পার্ক (গলপক্লাব), বাটারফ্লাই পার্ক,নেভাল এভিনিউ(১৫নংঘাট থেকে )সী-বিচ রোড পর্যন্ত, বিমান বন্দর পার্ক, কাটগর মুসলিমাবাদ-দক্ষিণ হালিশহর আনন্ন্দপাড়া(আকমল আলী সৈকতপাড়), হালিশহর আনন্দ বাজার থেকে কাট্রলী সী বিচ(সাঙ্গু গ্যাস)এরিয়ায় ব্যাপক ভাবে বিনোদন কেন্দ্র সৃষ্টি হয়েছে । 

যেখানে গিয়ে প্রাকৃতিক সুনিবিড় বিনোদন পিপাসা মিঠানোই নাগরিক সভ্যতার অনেক সৌখিন লোকদের স্ব-পরিবারে সময় কাটাতে দেখা যাই।  তাই তো এই অফুরন্ত ছুটিতে দল বেধেঁঘুরে বেড়াতে অনেকেই এসেছে তাদের মনের ইচ্ছে ঘুড়িটিকে উড়িয়ে অবস্বাধ গ্রহনে। 

তবে দীর্ঘতর এই ভ্রমনে স্থানে অনেকেই আবার পর্যটনের অব্যবস্থাপনা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।  সৈকতে নামার সিড়ি না থাকায় এবং রুচিশীল খাবার স্টোর, বসারস্থান ও পর্যাপ্ত নারী-পুরুষের টয়লেট, বিশুদ্ধপানীয়-জলের তীব্র অভাব, টুরিস্ট পুলিশ  দায়িত্ব না থাকাসহ নানা ব্যবস্থা।  আর রাত্রে পুলিশ চেকপোস্টের  নামে হযরানী সহ উল্টা-পাল্টা কথা বলে টাকা আদায়। 

এগুলো দূর করে পর্যটনের আসু সুবিধা বাড়ালে এই খাতে রাজস্ব পাবে দেশের সরকার।