৯:৩২ পিএম, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার | | ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




পানছড়ির শনটিলা সড়ক সংস্কারের অভাবে অবহেলিত চার গ্রামের মানুষ

২৮ মে ২০১৯, ১০:২৬ এএম | জাহিদ


মারুফউজ্জামান রেজা, খাগড়াছড়ি : পানছড়ির চার গ্রামের একমাত্র সড়কটির বেহাল অবস্থা।  ভাংঙ্গাচোরা সড়কটি সংস্কারের অভাবে অবহেলিত চার গ্রামের মানুষ  জিবনের ঝুঁকি নিয়ে  চলাচল করছে ।  

সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলা সদর ও বাজার এলাকা হতে পূর্ব কালানাল, আলীচান পাড়া, তাপিতা পাড়া, শনটিলা, দেবমিত্র পাড়া  গ্রামের ৪-৫ শত লোকের যাতায়াত  এই সড়কে।  ৫ কিলো মিটার ইট সলিং  সড়কের  ৩ কিলো মিটার  সড়কের সলিং ইট ভেঙ্গে গেছে , দেবে গেছে।  এ সড়কে  মোটর সাইকেল, টমটম, সিএনজি দিয়ে মানুষ চলাচল করলেও প্রতিনিয়তই দুর্ঘটনা ঘটছে।  সামান্য বৃষ্টিতেই যান চলাচল, পায়ে হেটে চলা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।  সড়কের ছোট ছোট কালভার্ট  গুলোর অবস্থা আরো নাজুক।  মুমূর্ষ / গর্ভবতী রোগী নিয়ে এ রাস্তায়  আসা মানে রোগীর মুত্যু নিশ্চিত করা।  


শনটিলা গ্রামের  মো. সাদ্দাম হোসেন, সাবেক ইউপি মেম্বার হোসেন আলি, তাপিতা পাড়ার ধন বিকান চাকমা, রবিন্দ্র চাকমা, আলী চান কার্বারী পাড়ার সুগেন চাকমা, অনুতোষ চাকমার  সাথে কথা বলে জানা যায়- ২০০৩ সালের পর শনটিলা  সড়কে  কোন কাজ করা হয়নি।  চারটি গ্রামে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা ছাড়াও তিনটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, একটি  মহিলা মাদরাসা, একটি আনসার ক্যাম্প আছে।  এই সড়ক দিয়ে  কয়েকটি গ্রামের লোক চলাচল করে।  আশপাশ এলাকায় কোন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ না থাকায় অত্র এলাকার ছেলে মেয়েরা পানছড়ি  সদরে মাধ্যমিক,  উচ্চ মাধ্যমিক সহ মাদ্রাসায় লেখাপড়া করে।  সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না থাকায়  উৎপাদিত ফসল  মৌসুমী ফল-ফলাদি বাজারজাত করতে  চাষীদের বিপাকে পড়তে হয়।   

সদর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নাজির হোসেন বলেন ইতিপূর্বে ইউনিয়ন পরিষদের প্রস্তাবনায়  ত্রাণ  ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর এর মাধ্যমে  শন টিলা  গ্রামের এক কিলোমিটার রাস্তা  ইট সলিং করা হয়েছে।  বাকি টুকু পর্যায়ক্রমে করার চেষ্টায় আছি।  

সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষণ করে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীর প্রাণের দাবি  সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করে, বঞ্চিত গ্রামসমুহের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে  এগিয়ে আসার আহবান জানান।