১১:৫৪ পিএম, ২৪ আগস্ট ২০১৯, শনিবার | | ২২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




প্রথম অঙ্কিতা, নোবেল তৃতীয়

২৯ জুলাই ২০১৯, ১০:১৮ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম : সম্প্রতি সময়ের আলোচিত শিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কথা হয়। 

খোলাখুলি না বললেও তার সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেছে, জি বাংলার সঙ্গীত প্রতিযোগিতার আসর ‘সা রে গা মা পা’র গ্র্যান্ড ফাইনালের ফল নিয়ে খুশি নন বাংলাদেশের তরুণ এই গায়ক।  তবে এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিনি যে আলোচনায় এসেছেন, শিল্পীস্বীকৃতি পেয়েছেন- তা সাবলীলভাবে কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্বীকার করেছেন। 

বলে রাখি, ‘সা রে গা মা পা’র গ্র্যান্ড ফাইনালের রেকর্ডকৃত পর্বটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারের আগেই এর ফলাফল গত ২৯ জুন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়ে যায়।  এতে জানা যায়, প্রতিযোগিতায় বিচারকদের রায়ে তৃতীয় আর দর্শকের রায়ে প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশের তরুণ এই গায়ক। 

এ বিষয়ে নোবেল বলেছিলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।  বলতে পারছি না, প্রথম না তৃতীয় হয়েছি! ২৮ জুলাই ফাইনাল পর্বটি প্রচারের পরই সবাই তা জানতে পারবেন। ’

হ্যাঁ, রোববার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ‘সা রে গা মা পা’র গ্র্যান্ড ফাইনাল।  চলে রাত ১১টা পর্যন্ত।  রেকর্ডকৃত ফাইনাল পর্বে তাই ঘটেছে, আগে যা রটেছিল।  প্রীতমের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন।  অর্থাৎ তৃতীয় হয়েছেন নোবেল। 

প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন অঙ্কিতা।  আর যৌথভাবে ১ম রানারআপ হয়েছেন গৌরব ও স্নিগ্ধজিৎ।  ২য় রানারআপ হয়েছেন প্রীতম ও নোবেল।  

নোবেল ও অন্য ফাইনালিস্টরাচ্যাম্পিয়ন অঙ্কিতা পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ২ লাখ রুপি ও একটি গাড়ি। 

ফলাফল ঘোষণার আগে নোবেল তিনটি গান গেয়ে শুনান।  এগুলো হচ্ছে, আইয়ুব বাচ্চুর ‘সেই তুমি’, প্রতুল মুখোপাধ্যায়’র ‘আমি বাংলার গান গাই’ ও প্রিন্স মাহমুদের কথা-সুরে জেমসের কণ্ঠের ‘বাংলাদেশ’। 

এর আগে, ২৯ জুন কলকাতার বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে চূড়ান্ত পর্বের দৃশ্যধারণ সম্পন্ন হয়।  আর গত বছরের সেপ্টেম্বরে জি বাংলায় শুরু হয় ‘সা রে গা মা পা ২০১৮-১৯’ প্রতিযোগিতা।  এতে ভারতের নির্বাচিত ৪৮ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়।  

এই আসরে বাংলাদেশ থেকে অংশ নেন অবন্তি সিঁথি, তানজীম শরীফ, রোমানা ইতি, মেজবা বাপ্পী, আতিয়া আনিসা, মন্টি সিনহা ও মাঈনুল ইসলাম নোবেল।  বিভিন্ন ধাপে অন্যান্যরা এই প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়লেও টিকে ছিলেন নোবেল। 

এই আয়োজনে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন শ্রীকান্ত আচার্য, মোনালি ঠাকুর, শান্তুনু মৈত্র, কৌষিকী চক্রবর্তী ও পণ্ডিত তন্ময় বোস। 


keya