৬:৪২ পিএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

‘প্রধান বিচারপতি সংবিধানের উপর আঘাত হেনেছেন’

২০ আগস্ট ২০১৭, ০৭:৫৭ পিএম | সাদি


তারিকুল ইসলাম, ই.বি প্রতিনিধি : ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে পধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা সংবিধানের উপর আঘাত হেনেছেন বলে মন্তব্য করেছেন আওামী লীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। 

রবিবার দুপুর সাড়ে তিনটায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।  বঙ্গবন্ধু শেখ মুুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহদাত বার্ষীকি ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

তিনি বলেন, “মাননীয় প্রধান বিচারপতি আপনি বলেছেন উচ্চতর আদালতকে রক্ষা করার জন্য বিচার বিভাগ তার নিয়ম মাফিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।  আমরা ও সেটা ও সেটাই চায় কিন্তু বিচারপতি এই সংসোধনীর রায় বাতিলের মধ্যে দিয়ে আপনি বিচার ব্যবস্থার মীমাংসিত বিষয়গুলোকে নিধন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। 

আাপনি সংসদকে কঠাক্ষ করেছেন, আপনি বলেছেন সংসদ সদস্যরা অযোগ্য, অপরিপক্ক।  কিন্তু আপনি ভুলে গেছেন যে এই সংসদ হচ্ছে জনগণের নির্বাচিত সংসদ।  আর এই সংসদ সদস্যদের নির্বাচিত হচ্ছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।  সুতরাং সংসদ সদস্য যদি অপরিপক্ক, অযোগ্য হয় তাহলে মহামান্য রাষ্ট্রপতিও অযোগ্য? আর মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিয়োগকৃত হচ্ছেন আপনি, তাহলে আপনিও অযোগ্য ও অপরিপক্ক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করছেন”।  

মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, “বিচারপতি আপনি যে দায়িত্বশীল চেয়ারে বসে আছেন সেখান থেকে আপনাকে হিসাব করে কথা বলতে হবে।  এদেশের জণগণ বিচারপতির চেয়ারকে সম্মান করে।  সুতরাং এই চেয়ারে বসে আপনি যা খুশি তা বলতে পারেন না।  সংবিধানের মীমাংসিত বিষয় নিয়ে আপনি বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারেন না”। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারীর সভাপতিত্বে এবং বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান ও আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আরমিন খাতুনের যৌথ উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিরাইদহ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল হাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সেলিম তোহা ঝিনাইদহ জেলার পৌর মেয়র সাইয়্যেদুল করিম মিন্টু, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রপ্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান।