২:৪২ এএম, ১ ডিসেম্বর ২০২০, মঙ্গলবার | | ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২




পরিবেশ রক্ষায় আগ্রহ বাড়ছে তরুণদের

১৮ নভেম্বর ২০২০, ১১:২৬ এএম |


এসএনএন২৪.কমঃ চিপস-বিস্কুট খাওয়ার পর মোড়ক ফেলা হয় যেখানে সেখানে।  প্লাস্টিক বোতল নিয়েও মাথা ঘামানোর সময় নেই অনেকের। 
তৃষ্ণা মিটলেই ফেলে দেন রাস্তার ওপরেই।  এমন দৃশ্য শুধু শহরে না, আমাদের সাগরে বা পাহাড়েও একই অবস্থা।  

তবে পরিবেশ রক্ষার প্রতি তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে, আজকাল অনেকেই পানীয় শেষ হলে ডাস্টবিন খোঁজেন।  আশপাশে ডাস্টবিনের দেখা না মিললে সঙ্গেই রাখেন চিপস-বিস্কুটের মোড়ক।  আর এসব অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য কাজ করছে ‘ইন্টারন্যাশনাল কোস্টাল ক্লিনআপ’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান।  

বৈশ্বিক পর্যায়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে সমুদ্র তীর পরিষ্কার করার কার্যক্রম পরিচালিত হলেও বাংলাদেশে চলছে গত এক দশক ধরে।  বিশ্বব্যাপী পার্টনারশিপের অংশ হিসেবে পরিবেশবাদী আন্তর্জাতিক সংগঠন‘ওশান কনজারভেন্সি’র এদেশীয় সমন্বয়কপ্রতিষ্ঠান কেওক্রাডং বাংলাদেশের সঙ্গে যৌথভাবে গত ৯ বছর ধরে এই কর্মসূচির আয়োজন করেআসছে কোকা-কোলা বাংলাদেশ।  

দেশের একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনসের পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্যরক্ষায় এ বছরও টানা ১০ বারের মতো দ্বীপটিতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও গণসচেতনতা কার্যক্রমপরিচালনার প্রস্তুতি চলছে।  সারাদেশের প্রায় ৪,০০০ স্বেচ্ছাসেবীর অংশগ্রহণে গত ৯ বছরে সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ থেকে সরানো অপচনশীল সামুদ্রিক আবর্জনার পরিমাণ ১০ হাজার কেজি ছাড়িয়ে গেছে।  ২০১৪ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এই পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতা কার্যক্রমে অংশ নিয়ে আসা নাফিস মাঈনুদ্দীন বলেন, ‘শুরুতে নিছক কৌতুহল থেকে অংশ নিলেও পরিবেশ ও প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষার এই কার্যক্রম এখন আমার জীবনের অংশে পরিণত হয়েছে। 

পরিবেশ রক্ষায় তরুণদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে‘ওশান কনজারভেন্সি’র বাংলাদেশের সমন্বয়ক মুনতাসির মামুন বলেন, ‘তরুণরাই দেশের ভবিষ্যৎ।  তাই আগামীতে একটি সুস্থ-সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে হলে তাদেরকে আগে সচেতন করতে হবে।  আমাদের এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবীদের বেশির ভাগই তরুণ।  স্কুল পর্যায়ের বাচ্চাদেরকেও আমরা এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহ দিয়ে থাকি।  আমরা বিশ্বাসকরি, ছোটবেলা থেকেই পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে তাদেরকে শিক্ষা দেওয়াটা জরুরি।  কারণ ছোটবেলার বেশিরভাগ শিক্ষাই মানুষ আজীবন মনে রাখে। 

চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখতে সচেতন হতে হবে আমাদের সবাইকে।