১০:৩১ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




পর্যটকের ভিড়ে মুখর বান্দরবান

১৮ জুন ২০১৮, ০৭:০৬ পিএম | সাদি


রিমন পালিত, বান্দরবান প্রতিনিধি: বন্যা ও পাহাড় ধসের আশঙ্কায় এবার ঈদে পর্যটক না আশার শঙ্কায় হতাশ হয়েছিল বান্দরবানের পর্যটন সংশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।  কিন্তু তাদের হতাশায় ভাটা দিয়ে ঈদের ছুটিতে বান্দরবানের বিভিন্ন পর্যটন স্পট ঘুরে দেখা গেছে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।  মেঘলা, নীলাচল, স্বর্ণ মন্দির সব জায়গা এখন পর্যটকদের পদচারনায় মুখর।  শিশু-বৃদ্ধ-যুবক-যুবতিরা তাদের প্রিয়জনদের নিয়ে চাঁদের গাড়িতে করে ঘুরে বেড়াচ্ছে দর্শনীয় সব স্থান।  কেউ কেউ ইদের আনন্দ উপভোগ করতে পরিবারের সাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। 


নীলাচলে বেড়াতে আসা ঢাকার এক পর্যটক জানান, খুবই সুন্দর জায়গা এটা।  এখানে না এলে বুঝা যেত না বাংলাদেশ এতো সুন্দর।  মেঘলা আবহাওয়ায় পাহাড় এতো  সুন্দর দেখায়, এটা আগে জানতাম না।  এখানে না এলে সেটা বুঝতেও পারতাম না।  আবার অনেক পর্যটক ছুটে যাচ্ছে থানচি ও বগালেকের সৌন্দর্য্য দেখতে।  তবে বর্ষাকাল হওয়ায় বেশিদূর যেতে পারছেন না তারা।  নদীতে পানি বেশি থাকায় যাওয়া যাচ্ছে না নাফাকুম ও অমিয়াকুমসহ থানচির বেশ কয়েকটি পর্যটন স্পটে।  তাই লোকাল স্পটগুলোতে ঘুরতে ব্যস্ত পর্যটকরা। 


শহরের রেস্টুরেন্টগুলোতেও লক্ষ্য করা গেছে পর্যটকদের ভিড়।  তবে ঈদ উপলক্ষে বেশিরভাগ রেস্টুরেন্ট বন্ধ থাকায় চাপ পেতে হচ্ছে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীদের। 

ফুড প্যালেস রেস্টুরেন্ট এর মালিক মোঃ ওমর ফারুক বলেন, পর্যটক গতবারের তুলনায় একটু কম তবে ঈদ উপলক্ষে অনেকগুলো রেস্টুরেন্ট বন্ধ তাই যেগুলো খোলা আছে সেগুলোতে একটু চাপ পড়ছে।  দোকানের স্টাফরাও ছুটিতে তাই সামাল দিতে কিছুটা কষ্ট হচ্ছে। 


ঈদের আগে বুকিং ক্যান্সেল হওয়ায় হতাশ হলেও ইদের সময় পর্যটক আসায় খুশি হোটলে ব্যবসায়ীরাও।  বন নিবাস গেস্ট হাউসের মালিক মোঃ আইয়ুব জানান, এবার ঈদের আগে রুম বুকিং দিয়েও অনেকে ক্যান্সেল করে দিয়েছিল তাই পর্যটক আসবে না ভেবে খুবই হতাশ হয়েছিলাম কিন্তু আবহাওয়া ভাল হওয়ায় পর্যটকদের আগমন শুরু হয়েছে।  আমাদের বেশীরভাগ রুম বুকড আগামী দুএকদিনের জন্য অনেকে রুম বুকিং দিয়েছে আশা করি আরো পর্যটকের সমাগম ঘটবে।  এদিকে পর্যটকদের নিরাপদে ভ্রমনের জন্য পর্যটন স্পটগুলোতে মোতায়েন করা হয়েছে নিরাপত্তা বাহিনী

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াছির আরাফাত জানান, পর্যটকদের ভ্রমনকে নিরাপদ করতে এবং কোথাও কোন পর্যটক যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। 

এছাড়াও টুরিস্ট পুলিশ রয়েছে তারা সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছে এবং বিভিন্ন জায়গায় আমাদের নাম্বার দেয়া হয়েছে।  কোথাও কোন পর্যটক হয়রানির শিকার হলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করলে আমরা সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 



keya