৪:৩৪ পিএম, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার | | ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




প্রস্তুত হচ্ছে বিএনপি চসিক নির্বাচনের জন্য

০৪ নভেম্বর ২০১৯, ১০:৫০ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম:  চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীরা। 

মনোনয়ন পাওয়ার দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন। 

অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন পেতে তোড়জোড় শুরু করেছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানও। 

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে চট্টগ্রামে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী কেন্দ্রীয় নেতারা।  

আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।  জাতীয় নির্বাচন নিয়ে নানা ধরনের অভিযোগ থাকলেও সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ভেতরে ভেতরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি নেতারা।  চসিক নির্বাচনের প্রস্তুতি ও দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার লক্ষ্যে নগরীর সব থানা ও ওয়ার্ড কমিটি গঠনের কাজ শুরু করা হয়েছে।  দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রে লবিং, তদবিরও শুরু করেছে বিএনপি নেতারা।  এক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবচেয়ে বেশি নাম শোনা যাচ্ছে মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের নাম। 

এ প্রসঙ্গে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার চিন্তা ভাবনা আমার।  যদি নির্বাচন করি ও বিজয়ী হয় তাহলে সেভাবেই কাজ করব। 

শুধু নগর বিএনপির সভাপতি নন, আলোচনায় আছেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ানের নামও।  দলীয় হাই কমান্ড চাইলে নির্বাচন করার ব্যাপারে আশাবাদী তারা। 

আবু সুফিয়ান বলেন, জলবদ্ধতা নিরসনে কাজ করতে হবে।  আমি মেয়র হলে আন্তরিকতার সাথে এ কাজ করব।  

দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সবাই তার পক্ষে কাজ করবে উল্লেখ করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী মনে করেন, সুষ্ঠ নির্বাচন হলে জনগণ বিএনপিকেই বেছে নেবে। 

তিনি বলেন, দিনশেষে দল যে সিদ্ধান্ত নেবে সবাই তার পক্ষেই কাজ করবে।  সুষ্ঠ নির্বাচন হলে জনগণ বিএনপিকে বেছে নেবে বলেই তো সরকার জনগণকে বাইরে রেখে নির্বাচন দেবার প্রজেক্ট তৈরি করেছে।  সরকারের জনগণের ওপর কোনো আস্থা নেই।  

২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম।  তিনি আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দিয়ে দলের চেয়্যারপারসনের উপদেষ্টা হয়েছিলেন।  তবে নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের সব পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।