১২:২০ পিএম, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউস সানি ১৪৪০




পুলিশে ১০ হাজার নিয়োগ মার্চ থেকে

১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৩:১৪ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : পুলিশে কনস্টেবল পদে নিয়োগে শুরুর আগে আগে স্থগিত হয়ে যাওয়া পরীক্ষার নতুন সময় দেয়া হয়েছে।  ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে পুনর্নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে আট হাজার ৫০০ জন পুরুষ, এক হাজার ৫০০ জন নারী কনস্টেবল নিয়োগ করা হবে।  চলতি বছরের মার্চ মাস থেকে জেলায় জেলায় পুলিশ লাইনসে এই নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু হবে। 

গত ১৬ জানুয়ারি থেকে এই পরীক্ষা শুরুর কথা ছিল।  তবে ১৫ জানুয়ারি হঠাৎ করেই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। 

সে সময় পুলিশ কর্মকর্তারা কোনো কারণ ব্যাখ্যা না করলেও নতুন নীতিমালার আলোকে নিয়োগের কথা বলেছিলেন।  তবে শেষ অবধি এমন কোনো ঘোষণা আসেনি। 

সে সময় পুলিশ সদরদপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানান, দুর্নীতির সুযোগ থানায় জেলা পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে নিয়োগের বদলে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়োগের বিষয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আলোচনা করেছেন।  তবে কী প্রক্রিয়ায় এটা করা যায়, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি। 

তবে নতুন বিজ্ঞপ্তিতেও বলা হয়েছে, আগের মতোই পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে।  এতে আগ্রহী প্রার্থীদের নিজ জেলার সংশ্লিষ্ট পুলিশ লাইনস ময়দানে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত নির্ধারিত তারিখে সকাল নয়টায় শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষার জন্য উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। 

কনস্টেবল পদে আবেদন করতে হলে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম জিপিএ-২.৫ সহ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। 

সাধারণ ও অন্যান্য কোটার পুরুষ প্রার্থীদের জন্য উচ্চতা কমপক্ষে ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি এবং নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ২ ইঞ্চি হতে হবে।  আর বুকের মাপ পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক অবস্থায় ৩১ ইঞ্চি ও সম্প্রসারিত অবস্থায় ৩৩ ইঞ্চি হতে হবে।  বয়স হতে হবে ০১-০১-২০১৮ তারিখে ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। 

মুক্তিযোদ্ধা ও উপজাতীয় কোটার ক্ষেত্রে শারীরিক যোগ্যতা ও বয়সের ভিন্নতা রয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে একেক জেলায় একেক দিন পরীক্ষার কথা বলা আছে।  শুরুতে এরপর শারীরিক মাপ ও শারীরিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নির্ধারিত তারিখে দেড় ঘণ্টায় ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হবে।  লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর প্রার্থীদের নির্ধারিত তারিখে ২০ নম্বরের মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা নেয়া হবে।  উত্তীর্ণ হতে হলে উভয় পরীক্ষায় আলাদাভাবে ৪৫ শতাংশ নম্বর পেতে হবে। 

এসব পরীক্ষায় মনোনীতদের প্রথমে ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ দেয়া হবে।  এই সময়ে তারা থাকা-খাওয়া, পোশাক চিকিৎসা এবং মাসে ৭৫০ টাকা হারে ভাতা পাবেন। 

নিয়োগ হলে জাতীয় বেতন ২০১৫ অনুযায়ী ৯ হাজার টাকা স্কেলে বেতন পাবেন একেকজন।  শিক্ষানবিশকাল শেষে চাকরি স্থায়ী হলে বিনা মূল্যে পোশাক, ঝুঁকি ভাতা, চিকিৎসা, রেশনসহ নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা মিলবে। 

কনস্টেবল পদে নিয়োগ হলেও পরীক্ষার মাধ্যমে পরে উচ্চ পদে পদোন্নতির সুযোগ থাকবে।  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে যাওয়ারও সুযোগ থাকবে।