৭:৫৮ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৭, বুধবার | | ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

পাহাড়ের কোলে অসাধারণ কটেজ জলবুক

১১ অক্টোবর ২০১৭, ০৭:১৫ এএম | নিশি


এসএনএন২৪.কম :  সাজেক কতটা নয়নাভিরাম তা নিয়ে নতুন করে কিছু লেখার নেই।  নিরাপত্তা, বিলাসবহুলতা আর নিস্বর্গীয় মেঘের আনাগোনা সব মিলিয়ে সাজেক প্রকৃতি প্রেমিদের জন্যে অন্যতম তীর্থ। 

কিন্ত যদি কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়া গিয়ে পৌঁছে যান সাজেকে আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা বিভীষিকাময় হয়ে উঠতে পারে।  থাকার জন্যে জায়গা নিশ্চিত না করে গেলে গুনতে হবে ২/৩ এমনকি ৪ গুন ভাড়া।  তাই সাজেক যেতে চাইলে অবশ্যই আগে থেকে থাকার জায়গা বুক করে যাবেন। 

এজন্য বেছে নিতে পারেন জলবুক কটেজ।  সাজেকের মূল ভ্যালি থেকে একটু বাইরে বিধায় আপনার আশেপাশে এই কটেজের লোকজন ছাড়া রাতে আর সাড়া শব্দ পাওয়া যাবে না কোন জনমানবের।  যারা একটু শান্ত আর নিরব প্রকৃতি পছন্দ করেন তাদের জন্যে জলবুক অসাধারণ।    

কাঠ দিয়ে বানানো এই কটেজের বিশাল জানালা আর সামনের টানা বারান্দায় ভোর হয় কুয়াশা, মেঘ, আদিগন্ত বিস্তৃত সবুজ পাহাড় আর নরম সোনালি সূর্যালোকের এক অপূর্ব মেলবন্ধন নিয়ে।  যা আপনার ভ্রমণ অভিজ্ঞতার ডাইরিতে এমন কিছু অনুভূতি জমা করবে যেটা ভাষায় ব্যক্ত করবার মত শব্দ ভান্ডার খুব বিরল। 

এই কটেজে থাকার জন্যে কক্ষ মাত্র চারটি।  নিচ তলায় দুটি আর দোতলায় দুটি।  বেশ খানিকটা খোলা জায়গা আর খাবার জন্যে এখানকার ব্যাবস্থাপনার কাজে নিয়োজিতদের জন্যে দুটি ঘর এই হচ্ছে ছোট্ট টিলায় দাঁড়ানো পাহাড়ে ঘেরা অপরূপা জলবুক কটেজ। 

অতিথির সংখ্যা, উপরের বা নিচের ঘর আর ভ্রমণের সময়ভেদে এর এক একটি ঘরের জন্যে প্রতি রাতের ভাড়া আসবে ২ - ৩.৫ ( দুই থেকে সাড়ে তিন) হাজার টাকা।  অবশ্যই দরদাম করে নেবেন। 

খাবারের ব্যাবস্থাও আছে জলবুকে।  তবে তার জন্যে আপনাকে অবশ্যই আগে থেকে জানাতে হবে কি কি খাবেন।  এ ক্ষেত্রেও দরদাম করে নিতে হবে।  পাহাড়ি বিভিন্ন ধরনের খাবারের বিশেষ ব্যবস্থা আছে তাদের। 

জলবুক কটেজের সার্বিক দায়িত্ব ন্যাস্ত আছে মিন্টু মারমার উপর।  তিনি একজন অমায়িক আর অসাধারণ মানুষ।  সকল রকম তথ্য, প্রয়োজনীয় জিনিসপাতি আর পাহাড়ি বহু খাবারের আবদার সবই করতে পারেন তাকে নিঃসংকোচে।  তিনি অন্তত চেষ্টা করবেন সাধ্যের সবটুকু দিয়ে আপনাকে এক অসাধারণ ভ্রমণ অভিজ্ঞতা দিতে।  যোগাযোগ - ০১৮২০১৮০৭৫০ (মিন্টু মারমা)।