৫:৫০ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | | ৬ সফর ১৪৪০


ফরিদগঞ্জের চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভাঙ্গন কাজ নিয়ে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ

১৪ জুন ২০১৮, ১০:১১ এএম | সাদি


জাকির হোসেন সৈকত, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) : ফরিদগঞ্জ উপজেলার চান্দ্রা ইমাম আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ শাহ মোঃ মুকবুল আহম্মেদের পাল্টা পাল্টি অভিযোগ গ্রহন।  বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন বিক্রয় কথা চলছিল ঠিক সেই তিনি ভবনটি বিক্রয় না করে নিজেই ভাঙ্গার স্দ্ধিান্ত গ্রহন করেন।  যা দিয়ে বিদ্যালয়ে অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বাকি ভাঙ্গা ইটা দিয়ে বিদ্যালয়ের ভবনের পাশে ডাকাতিয়া নদীর শাখা গিয়েছে যার কারনে বিদ্যালয়ে একটি ভবন এবং দৃুইটি গাট তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়ে উঠেছে।  ঠিক সেই সময় তিনি সেই ইটের ভাঙ্গা আংশকে দিয়ে নদীর পাশে গাইড ওয়ালের মতন করে নির্মান করতেছেন।  এই নিয়ে অধ্যক্ষ ও দরপত্র আহব্বান কারীদের মধ্যে পাল্টা পাল্টি অভিযোগ চলছে অত্র বিদ্যালয়ে।  

তা না হলে যেই কোন সময় বিদ্যায়টি ভেঙ্গে পড়াতে পারে বলে যানিয়েছেন বিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ মুকবুল আহম্মেদ। 

  অন্য দিয়ে কয়েক জন লোক এই বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ করে বলেন।  কলেজের চারতলা বিশিষ্ট ভবন নির্মান কাজ চলছে।  এদিকে স্কুলের উত্তর পাশের কয়েকটি ভবন কোন প্রকার দরপত্র ছাড়াই  ভাংগার কাজ শুরু করেন অধ্যক্ষ।  এতে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ভাবে ক্ষতির সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।  পুরাতন ভবনের কক্ষগুলো দরপত্র আহবান করলে বিদ্যালয় আর্থিক ভাবে লাভোবান হতো বলে যানিয়েছেন দরপত্র আহ্ব্বান কারিগন। 

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একদিকে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার কাজ চলছে।  অন্যদিকে আরো একটি ভবন করা জন্য পুরাতন ভবন ভাঙ্গন কাজ চলছে।   এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও চলছে।  কিন্ত ভবনে ভাঙ্গা অংশ গুলো বিদ্যালয়ের  পশ্চিম পাশে নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করার জন্য গাইড ওয়াল আকারে নির্মান হচ্ছে।  যা নদীর পাশে থাকা ভবন গুলো ভাঙ্গা থেকে রক্ষা  পাওয়ার আসা করছেন অনেকে।  

 এ বিষয়ে স্কুল কমিটির সদস্য আলমগীর হোসেন জানান , এ ব্যাপারে আমার কিছু জানা নাই ।  তবে ভবন ভাংগার কাজ শুরু হয়েছে অধ্যক্ষকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম।  

  স্কুল কমিটির আরেক সদস্য জসিম উদ্দিন জানান , স্কুলের এসব বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কে সভাপতি করে কমিটি করা হয়েছে ।  নতুন ভবন নির্মানের কাজ  দেখা শুনার  জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে বলে জানান ।  চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান পাটওয়ারী জানান, পুরাতন ভবনের দ্বিতীয় তালার কাজে নিন্মমানের ইঠ ব্যবহারের জন্য আনা হয় বলে জানান।  

অধ্যক্ষ শাহ মুকবুল আহম্মেদ বলেন, আমি বিদ্যলয়ের আবকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ করতেছি।  এই নিয়ে কিছু সার্থনিশি লোক তাদের লাভ না হওয়ার কারনে এই সকল কথা বলে বেড়ায়।  আমি বিদ্যালয়ের ভবন ঠিক রাখার জন্য নদীর পাশে ভাঙ্গা ইটা দিয়ে ভাঙ্গন রোধ করতেছি।  এটা কি আমার অন্যায়? আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, নিন্মমানের ইট আমি দেখেছি যা আমি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান কে নিয়ে যাওয়ার জন্য বলেছি।  অলরেডি তারা ইটা নিয়ে যাচ্ছে। 


keya