৭:৫৪ পিএম, ২২ অক্টোবর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ২২ সফর ১৪৪১




ফুলপুরের ২০ গ্রামববাসীর ভরসা কাঠের সেতু

০২ অক্টোবর ২০১৯, ১০:১৪ এএম | নকিব


মিজানুর রহমান, ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ছোট শুনই ঘাটপাড় গ্রামে ঝুকি নিয়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপারের ভোগান্তি পোহাচ্ছেন জনসাধারণ। 

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, উপজেলা ভাইটকান্দি ইউনিয়নে ছোট শুনই ঘাটপাড় সংলগ্ন ব্রক্ষপুত্রে খড়িয়া নদীর সংযোগ স্থলে,এখানে স্থানীয় উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ১০০ফুট দৈর্ঘ্য কাঠের সাঁকো ব্রীজ। 

প্রায় ১৫ বছর ধরে কাঠের সাঁকো পাড়ি দিয়েই চলেন ২০গ্রামের মানুষ প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ হাজার মানুষ বাস করে এ গ্রামে। 

এলাকাবাসী স্থানীয় উদ্যোগে প্রায় ১৫ বছর আগে নদীর উপর ১০০ ফুট দৈর্ঘ্য লম্বা একটি কাঠের ব্রীজ নির্মাণ করেছেন। 

তখন থেকে নদী পাড়ি দিয়ে ২০ গ্রামবাসীর একমাত্র ভরসা ওই ব্রীজ।  ভাইটকান্দি ইউনিয়নের ছোট শুনই ঘাটপাড় ব্রীজ না থাকায় উপজেলা সদরে যাতায়াতে জনগনের এ দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ ইউনিয়নের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ,উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজসহ কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী বর্ষাকালে নড়বড়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে ঝুঁকিপৃর্ণ অবস্থায় যাতায়াত করে থাকে। একইভাবে নদী পার হচ্ছে প্রতিদিন ওই এলাকায় ১হাজার থেকে ১৫শত মানুষ। 

রগুরামপুর গ্রামের মোঃ তোফাজ্জল হোসেন বলেন ,এখানে একটি ব্রিজ নির্মাণ না হওয়ায় এলাকার লোকজন ফুলপুর উপজেলা সদরে সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে না। এজন্য তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার কৃষিপণ্য শহরে বাজারজাত করতেও অসুবিধা হয়। 

এমনকি কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত।  এব্যাপারে ৩নংভাইটকান্দি ইউনিয়ন ছোট শুনই গ্রামে ৪নংওয়ার্ডের আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আবু তাহের বলেন শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কম থাকায় তারা ঝুঁকি নিয়ে কাঠের সাঁকো দিয়ে বিদ্যালয়ে আসতে পারলেও বর্ষা মৌসুমে এ সাঁকো দিয়ে আসতে ঝুকিপূণ হয় তাদের। 

এলাকাবাসী বলেন ভাইটকান্দি ইউনিয়নে নদীর উপর ব্রীজ হলে লোকজনের উৎপাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া এবং উপজেলা সদর থেকে কোনো পণ্য নিয়ে আসা সহজ হত। 

এ বিষয়ে ভাইটকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মো : আলাউদ্দিন আহমেদ বলেন, বৃহৎ অঞ্চলের মানুষের যাতায়াতের জন্য ব্রীজটি অত্যন্ত জরুরী গুরুত্ব পূর্ণ।