৫:১৯ এএম, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭, সোমবার | | ২৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

বাইরেও বন্ড সুবিধা দেওয়ার দাবি গার্মেন্টস খাতের

০১ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৭:৩২ এএম | রাহুল


এসএনএন২৪.কম : তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি বাড়াতে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিল বন্ডেড ওয়্যার হাউজ (বিডব্লিউএইচ) এবং ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি ব্যবস্থা। 

কিন্তু এখন দেশের রপ্তানিকে বৈচিত্র্যকরণ এবং প্রতিযোগিতাক্ষম করা প্রয়োজন।  এজন্য এই দুটি সুবিধা তৈরি পোশাকের বাইরে অন্যান্য রপ্তানি খাতের জন্য সম্প্রসারিত করা জরুরি।  পাশাপাশি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অটোমেশন কর্মসূচি হাতে নিতে হবে।  বেসরকারী গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইন্টটিউট (পিআরআই) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। 

বৃহস্পতিবার পিআরআইয়ের বনানী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় বলা হয়, বাংলাদেশের রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশী হচ্ছে তৈরি পোশাক খাত থেকে।  কিন্তু এর বাইরেও এক হাজার ৪০০টি পণ্য ২০১৭ সালে রপ্তানি হয়েছে।  এর মধ্যে সহস্রাধিক পণ্যের রপ্তানি আয় দশ লাখ ডলারের নীচে।  এর মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক, ব্যাটারি, ক্যাবল, সিরামিকস, ম্যালামাইন, অ্যালুমিনিয়াম, কেমিক্যাল পণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য।  দেশের প্রায় সাড়ে তিন হাজার প্রতিষ্ঠান এসব পণ্যে রপ্তানির সঙ্গে জড়িত।  এগুলোর মাধ্যমে রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং রপ্তানি খাতে তৈরি পোশাকের বাইরে অন্যান্য খাতের অবদান বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। 

কিন্তু সে সুযোগ কাজে লাগাতে হলে ওই সব খাতকে পোশাক খাতের মতো সমান সুযোগ দিতে হবে।  কিন্তু দেখা যাচ্ছে ‘শতভাগ’ রপ্তানি সংশ্লিষ্ট নয় বলে ওই সব খাতের উদ্যোক্তারা বন্ডেড ওয়্যারহাউজ সুবিধা পাচ্ছেন না।  এতে করে তারা শুল্কমুক্তভাবে কাঁচামাল আমদানি করতে পারছেন না।  অবশ্য, এনবিআর কর্মকর্তারা সভায় ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, বন্ড সুবিধা সব খাতই পেতে পারে। 

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্ট এ বি মির্জা আজিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনবিআর চেয়ারম্যান মো. নজিবুর রহমান।  পিআরআই চেয়ারম্যান ড. যায়েদী সাত্তার এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।  পরে বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ড. মাসরুর রিয়াজ অপর একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। 

অন্যান্যের মধ্যে পিআরআইর নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান মনসুর, এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান, এনবিআর সদস্য শাহরিয়ার মোল্ল্যাহসহ বেসরকারী বিভিন্ন খাতের উদ্যোক্তারা বক্তব্য রাখেন।