৭:৩১ এএম, ২৫ মে ২০১৮, শুক্রবার | | ১০ রমজান ১৪৩৯

South Asian College

বাগেরহাটের শরণখোলায় এক হতদরিদ্রের কাছে লাখ টাকা চাঁদা দাবি

১৭ মে ২০১৮, ১০:৪৯ এএম | মুন্না


এম.পলাশ শরীফ, বাগেরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের শরণখোলায় এক হতদরিদ্রের কাছে স্থানীয় একটি চক্র লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

ঘটনাটি ঘটেছে সম্প্রতি উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামে।  এ ঘটনায় হতদরিদ্র পান্না শিকদার (৪০) বাদি হয়ে শরণখোলা থানা পুলিশের কাছে চাঁদাবাজ চক্রের হোতা আঃ সবুর হাওলাদার (৪৫)’র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

অভিযোগ ও এলাকাবাসি সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ সাউথখালী গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র পান্না শিকদার পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৩৫/১ পোল্ডারের বেড়ী বাধ সংলগ্ন এলাকায় তার নিজ বসত বাড়িতে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করছিলেন।  সম্প্রতি উপকূলীয় এলাকায় টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হলে ক্ষতিগ্রস্থ হয় ওই পরিবারটি।  এতে বসতবাড়ির জমি ও গাছপালার ক্ষতিপূরণ বাবদ ৯৬নং এ্যাওয়ার্ডে তার নামে ৫ লাখ ৩৩ হাজার টাকা বরাদ্দ হয় এবং ক্ষতিপুরণের চেক গ্রহণের জন্য পান্না শিকদারের নামে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে ৭ ধারায় একটি নোটিশ জারি হয়। 

এতে লোলুপ দৃষ্টি পড়ে স্থানীয় বাসিন্দা আঃ সবুর হাওলাদার ও সাবেক ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেনসহ একটি চক্রের।  ওই চক্রটি পান্না শিকদারের নিকট সম্প্রতি লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে।  এতে তিনি রাজি না হওয়ায় চাঁদাবাজ চক্রটি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পান্নার বসতবাড়ির অংশিদার দাবি করে একটি কাল্পনিক অভিযোগ দায়ের করলে ক্ষতিপূরণের চেকটি স্থগিত হয়ে যায়।  পরবর্তীতে বিষয়টি জেলা প্রশাসকের এলএ শাখা থেকে সার্ভেয়ার মনিরুজ্জামান বিষয়টি সরেজমিনে তদন্তে আসলে দায়েরকৃত অভিযোগ টাকা হাতানোর ধান্দা বলে প্রতিয়মান হয় কিন্তু তার পরও থেমে নেই ওই চক্রটি।  তারা পান্নার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারটি। 

এ ব্যাপারে স্থানীয় বাসিন্দা ও সবুর হাওলাদারের চাচা মুক্তিযোদ্ধা রতন হাওলাদার (৭০) বলেন, সবুরসহ একটি চক্র হতদরিদ্র পান্নার টাকা হাতানোর জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।  তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া উচিত।  এছাড়া কোন ধরণের হয়রানী ছাড়া হতদরিদ্র পরিবারটি যাতে তাদের ক্ষতিপূরণের টাকা পায় সেজন্য তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। 

এছাড়া স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সবুর গং মিথ্যা অভিযোগ করে ওই পরিবারটিকে ভোগান্তিতে ফেলেছে। 

তবে পান্নার কাছে চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে সবুর হাওলাদার বলেন, তিনি পান্নার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সঠিক অভিযোগ করেছেন। 

Abu-Dhabi


21-February

keya