৪:৩৬ এএম, ২২ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার | | ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




বাগেরহাট সরকারী মহিলা কলেজে অবকাঠামো উন্নয়ন অব্যাহত, সকল বিষয়ে অনার্স চালু

২৮ অক্টোবর ২০১৯, ০২:১৮ পিএম | নকিব


এম.পলাশ শরীফ,বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী সরকারী মহিলা কলেজের ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমীক ভবন ও ৬ তলা বিশিষ্ট ছাত্রী হোস্টেল নির্মান কাজের অনুমোদন করেছে সরকার। 

শুন্যপদে শিক্ষক কর্মচারী নিয়োগসহ সকল বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু এখন সময়ে দাবী।  নারী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ১৯৬৪ সালে বাগেরহাট শহরে ১৫ বিঘা জমি নিয়ে  এ কলেজের যাত্রা শুরু হয়ে ১৯৮৪ সালে সরকারী করন হয়। 

বর্তমানে কলেজে ছাত্রীর সংখ্যা ৭০০ জন।  অধ্যক্ষ .উপাধাক্ষ্যসহ বর্তমানে শিক্ষক সংখ্যা ৩৪ জন, ৩ জন সরকারীসহ ১৬ জন কর্মচারী রয়েছে এ কলেজে।  অবকাঠামোর দিক থেকে বর্তমানে অধ্যক্ষ ভবনসহ ২ টি একাডেিেমক ভবন , গাড়ী গ্যারেজ, ডরমেটরী ও ২তলা বিশিষ্ট একটি ছাত্রী হোষ্টেল রয়েছে। 

এ ছাড়া বর্তমান সরকার সময়ে কলেজের বিজ্ঞান ভন সংস্কার কাজ সম্পন্নসহ সাইকেল গ্যারেজ নির্মান, শহীদ মিনার রয়েছে।  একাডেমীক উন্নয়নে রাষ্ট্র বিজ্ঞান ও বাংলা বিষয়ে অনার্স চালু, এইচএসসি শ্রেনীতে কমার্স বিষয় ও উন্মুক্ত বিশ^বিদ্যালয়ে এইচএসসি প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।  গত বৃহস্পতিবার সরেজমিনে ওই কলেজে গেলে শিক্ষার্থীরা বলেন,  মেয়েদের এ কলেজে একটি ক্যান্টিন একান্ত প্রয়োজন। 

আর গার্ডরুমসহ একটি পাঞ্জেগনা মসজিদ নির্মান জরুরী।  এছাড়া  আমাদের সকল বিষয়ে অনার্সসহ মাষ্টার্স কোর্স চালু করতে পারলে ঐতিহ্যবাহি এ কলেজটি পূর্নাঙ্গ রুপ পাবে। 

পরে কথা হয় কলেজের অধ্যক্ষ ড. প্রফেসর এমএম রফিকুল ইসলামের সাথে।  তিনি বলেন চাহিদা এবং উন্নয়নের তো শেষ নেই।  তবে আমি স্থানীয় এমপি, মন্ত্রনালয় ও শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগাযোগের মাধ্যমে ইতোমধ্যে  ১০ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন, ৬ তলা বিশিষ্ট ছাত্রী হোস্টেল ও ৩ তলা বিশিষ্ট কর্মচারী ভবন অনুমোদন করিয়েছি।  কর্মচারী হোষ্টেলের কাজ চলমান রয়েছে। 

 নারী শিক্ষার জন্য ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানের জন্য ভাল কাজ করতে গিয়ে নানা বাধা-বিপত্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে।  ভুলত্রæটি হলে তা নিয়ে আমার বিরুদ্ধে নানা ষড়যন্ত্রও হচ্ছে।  তারপরও সরকারের উন্নয়ন কাজ থেমে নেই।  বাকী চাহিদা অনুযায়ী সকল কাজই বর্তমান সরকার সময়ে করা সম্ভব হবে।  কারন বর্তমান সরকার নারী বান্ধব ও উন্নয়ন বান্ধব।  তাই সরকারী মহিলা কলেজের কোন চাহিদাই অপুরন থাকবেনা।  এজন্য এখানের কর্তব্যরত সকলকেই আন্তরিক হতে হবে। 

কারও প্রতি হিংসাত্বক হওয়া যাবে না।  কারন আমরা শিক্ষক।  আমদের কাছ থেকেই অন্যরা শিখবে। 


keya