৫:৩৮ এএম, ২১ মার্চ ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৪ রজব ১৪৪০




বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির সকল প্রেরণার উৎস : চবি উপাচার্য

১০ জানুয়ারী ২০১৯, ০৭:০৮ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : মহাকালের মহানায়ক স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস (১০ জানুয়ারি) উপলক্ষে ১০ জানুয়ারি ২০১৯ বেলা ১১ টায় চবি বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে মাল্য দান করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। 

এরপর পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ, চবি’র পক্ষ থেকে পুস্পমাল্য অর্পণ করেন পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মো. রাশেদ-উন-নবী ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মশিবুর রহমান। 

এ সময় চবি বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, হলের প্রভোস্টবৃন্দ, সহকারী প্রক্টরবৃন্দ, বিভাগীয় সভাপতি, ইনস্টিটিউট ও গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালকবৃন্দ, অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সদস্যবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন। 

উপাচার্য তাঁর সংক্ষিপ্ত ভাষণের শুরুতে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা, স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি, রাজনীতির মহাকবি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।  তিনি জাতীয় চার নেতা, মহান মুক্তিযুদ্ধে ত্রিশলক্ষ শহীদ, ‘৭৫ এর ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে শহীদ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যবর্গের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।  মহান মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত দু’লক্ষ জায়া-জননী-কন্যার প্রতি বিশেষ সম্মান প্রদর্শন করেন। 

উপাচার্য বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির সকল প্রেরণার উৎস।  যাঁর জন্ম না হলে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা হতো না বাংলাদেশ নামক স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র।  তিনি বলেন, ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে মহাবিজয়ের ফলে বাংলাদেশ যখন আনন্দ-উল্লাসে উত্তাল, অপরদিকে গোটা জাতির উদ্বেগ-উৎকন্ঠার প্রহর তখনো কাটেনি।  ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরে না আসা পর্যন্ত দেশের লাখো লাখো মানুষ ছিল অসহায়। 

উপাচার্য বলেন, দীর্ঘ নয়মাস স্বৈরাচার পাকিস্তানি কারাগারে অন্ধ প্রকোস্টে বন্দীদশায় জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি এবং বিশ্ব নেতৃবৃন্দের চাপের মুখে রাজনীতির এই মহাকবি ১৯৭২ এর ১০ জানুয়ারি কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে পা রেখে বীর বাঙালির হাজার বছরের কাঙ্খিত বিজয়কে পূর্ণতা দান করেন।  উপাচার্য জাতির জনকের স্বপ্নের সোনারবাংলা বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু তনয়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার মানবতার জননী প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়ন-অগ্রযাত্রায় সামিল হয়ে সকলকে দেশের উন্নয়নে কাঙ্খিত ও দৃশ্যমান অবদান রাখার আহবান জানান।