১১:৪৬ পিএম, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ১৩ মুহররম ১৪৪০


বাজেটে মোবাইল ইন্টারনেটের উপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব

১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১০:৫৫ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : আসছে অর্থবছরের বাজেটে মোবাইল ইন্টারনেটের উপর আরোপিত ২১.৭৫ শতাংশ ভ্যাট, এসডি ও সারচার্জ প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। 

সোমবার এনবিআরের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে মোবাইল ফোন অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এ্যামটব) এ প্রস্তাব দেয়। 

বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া সভাপতিত্ব করেন।  এসময় এনবিআর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।   আলোচনায় মোবাইল অপারেটরদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন। 

এ্যামটব মহাসচিব টিআইএম নুরুল কবির বলেন, বর্তমানে ইন্টারনেটের উপর ২১.৭৫ শতাংশ হারে ভ্যাট, এসডি ও সারচার্জ প্রযোজ্য রয়েছে।  আগামী বাজেটে এ কর অব্যাহতির প্রস্তাব করছি। 

তিনি বলেন, ইন্টারনেট মডেমের উপর আমদানি পর্যায়ে ৪ শতাংশ  ও ক্রেতার কাছে ৪ শতাংশ হারে ভ্যাট আদায় করা হয়।  যা সম্পূর্ণরূপে মওকুফের আবেদন করছি। 

এ্যামটব নেতারা বলেন, সব পর্যায়ে ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাটও অন্যান্য কর মুওকুফ করা প্রয়োজন।  ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর ভ্যাট তুলে দিলে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হবে।  এতে অপারেটরদের আয় বৃদ্ধি এবং তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার ঘটবে। 

বিটিআরসির তথ্য উপস্থাপন করে তারা বলেন, দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৯৫ শতাংশ এ সেবা নিচ্ছেন মোবাইল ফোন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।  শুল্ককর কমে গেলে মোবাইল অপারেটররা প্রত্যন্ত অঞ্চলে দেশব্যাপী ব্যবসা সম্প্রসারণে সক্ষম হবে।  ফলে পরিকল্পিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের কাজ আরও বেগবান হবে। 

বতর্মানে সব মোবাইল অপারেটরের প্রতিটি সিম বা রিম বিক্রির জন্য ৩৬ দশমিক ৬৫ টাকা ভ্যাট এবং ৬৩ দশমিক ৩৫ টাকা সম্পূরক শুল্ক দিতে হয়, যা সম্মিলিতভাবে সিমট্যাক্স (১০০ টাকা) নামে পরিচিত।  এর বাইরে সিম রিপ্লেসমেন্ট করতে হলে ১০০ টাকা প্রতি গ্রাহককে ব্যয় করতে হয়।  আমরা তা পুরোপুরি তুলে দেয়ার দাবি জানাচ্ছি। 

এনবিআর চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূইয়া বলেন, বাজেটে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে।  এর আগে দেশে বিদ্যমান অন্যান্য ইন্টারনেট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। 


keya