৭:৩৯ পিএম, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার | | ২১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১




বেপরোয়া হার্টবিট নিয়ন্ত্রণ করবে কলা-কিসমিস

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:২৮ এএম | নকিব


এসএনএন২৪.কম:  সোজা কথায়, প্রতি মিনিটে কারো হার্ট যতবার বিটস করে, সেটাই হল তার হার্ট রেট বা পালস রেট। 

সাধারণত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে হেলদি হার্ট রেট হলে মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বিটস।  অবশ্য অ্যাথলেটদের ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে হার্ট রেট বা পালস রেট ৪০-এর কম হতে পারে। 

যেহেতু হার্টের ছন্দকে কাউন্ট করে, তাই কোনোভাবেই হার্টরেটকে হেলাফেলা করা উচিত নয়।  এ থেকে হার্টে রক্তের প্রবাহের একটা আন্দাজ মেলে।  

হার্টরেট বেশি হলে হার্টের অসুখের আশঙ্কা থাকেই।  হতে পারে স্ট্রোকও।  কিডনির বারোটা বাজাও অস্বাভাবিক নয়।  সুতরাং হার্টের ছন্দকে নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি। 

স্বাভাবিক অবস্থায় নিজের পালস ধরে কেউ যদি দেখেন জোরে ছুটছে, সাবধান না-হয়ে উপায় নেই।  চিকিৎসকের পরামর্শ তো নেবেনই।  সেই সঙ্গে খাদ্য তালিকায় রোজ রাখুন পাকা কলা ও কিসমিস।  পুষ্টি ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এই দুইটি খাবারই হার্টরেটকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। 

কেন কলা খাবেন:

পুষ্টিগত দিক দিয়ে যদি দেখেন, পাকা কলা হল ভিটামিন বি-১২-এর অসাধারণ উৎস।  সেই সঙ্গে ম্যাঙ্গানিজ, বিভিন্ন ফাইবার, ভিটামিন-সি, তামা, বায়োটিন এবং পটাসিয়ামও পাবেন।  হার্টরেট কম করার ক্ষেত্রে এই সবকটি উপাদানই গুরুত্বপূর্ণ। 

কারণ পটাশিয়াম কম হলে, মাসল ক্যাম্প শুধু নয়, এনার্জিরও ঘাটতি হবে।  যা থেকে হার্টবিটস অনিয়মিত হতে পারে।  কলায় রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম।  একই সঙ্গে লো সোডিয়াম।  যার জন্য, হার্টকে ছন্দে রাখতে কলা খেতে হবে।  এছাড়াও কলায় থাকায় ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়ামে অ্যান্টাসিড এফেক্ট থাকায় পেটের আলসারের হাত থেকে রক্ষা করে।  ক্যারোটিনয়েড অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টেরও উৎস হলো কলা।  রয়েছে ফাইবার পেকটিনও। 

কিসমিসও সমান উপকারী

কলার মতোই শুকনো আঙুর বা কিসমিসও প্রচুর পটাশিয়াম সমৃদ্ধ।  ১০০০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম রয়েছে।  দৈনিক চাহিদার অনেকাটাই পূরণ করতে পারে।  পাশাপাশি কলার মতোই কিসমিসে সোডিয়াম কম রয়েছে।  হার্ট বিট নিয়ন্ত্রণে আনা ছাড়াও আরো নানা কারণে আপনি কিসমিস খেতে পারেন।  

বিশেষত যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে।  ডায়াবেটিসেও কিসমিস উপকারী।  হাইপারটেনশনের রোগীরা কিসমিসে নিশ্চিত উপকার পাবেন।  এছাড়াও যৌনরোগ দূর করতে, হাড়ের গঠন মজবুতে এবং চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত কিসমিস খাওয়া ভালো।