১:৪৮ পিএম, ২০ নভেম্বর ২০১৮, মঙ্গলবার | | ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




বর্তমান সরকার ব্রেকফেল করা গাড়ীর মত বিপজ্জনক

০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:০৬ পিএম | মাসুম


নিজস্ব প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বর্তমান সরকার এখন ব্রেকফেল করা গাড়ীর মত বিপজ্জনক।  আজীবন ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য বিরোধী বিএনপি নেতা কর্মীদের দমন নিপীড়ন চালাচ্ছে।  রাতের আধারে হানাদার বাহিনীর  মতো ধরে নিয়ে পৈশাচিক নির্যাতন চালাচ্ছে।  আমরা গায়েবী জানাজার কথা জানতাম, কিন্তু বর্তমান সরকারের সময়ে গায়েবী সংসদ সদস্য এখন নতুন করে নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে গায়েবী মামলা দেয়া হচ্ছে।  চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গণগ্রেফতার শুরু করেছে। 

তিনি শনিবার বিকালে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে কারাগারে আদালত বসানোর প্রতিবাদে নাসিমনভবনস্থ দলীয় কার্যালয় মাঠে কেন্দ্রঘোষিত প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। 

এতে তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে অসাংবিধানিকভাবে কারাগারে আদালত বসিয়ে বেগম জিয়াকে আরেকটি প্রহসনের সাজা দিতে পাঁয়তারা করছে।  বেগম খালেদা জিয়ার জামিন প্রক্রিয়া বার বার বাঁধাগ্রস্ত করছে সরকার।  তিনি একের পর এক মামলায় উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেলেও তা আবার নানা কায়দায় আটকে দিচ্ছে।  সরকারের নির্দেশেই বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে আটকে আছেন।  বেগম জিয়া সুবিচারে নয় প্রতিহিংসামূলক সরকারী বিচারে কারাবন্দি। সরকারকে পদত্যাগ করে সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্বাচন দিতে হবে।  অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। 

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসেম বক্কর বলেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলায় সাজা দিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে  অন্যায়ভাবে কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।  শুধু তাই নয় দেশনেত্রী বর্তমানে খুবই অসুস্থ।  তাঁর বা হাত ও বাম পা প্রায় অবশ হয়ে গেছে।  অসহ্য ব্যাথা অনুভব করছেন তিনি।  অথচ সরকার তার সুচিকিৎসার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করে নাই।  সরকার তাকে বিনা চিকিৎসায় হত্যা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। 

তিনি বলেন, বেগম জিয়া অসুস্থতার কারণে আদালতে হাজির হতে না পারার অজুহাতে সম্পূর্ণ অসংবিধানিক ভাবে আদালতকে কারাগারে নিয়ে গেছে সরকার।  দেশের জনগণ সরকারের এই বেআইনি সিদ্ধান্ত মানে না।  সরকারকে এই  ধরনের হটকারি সিদ্ধন্ত থেকে ফিরে আসার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সরাদেশের মত চট্টগ্রামের জনগণ আজ বেগম জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে সোচ্চার। 

এতে সরকার ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে রাতের আধারে বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়িতে অভিযান চালাচ্ছে, নিরীহ নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করে গায়েবী মামলা দিচ্ছে।  আমরা চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে রাতের আধারে গণ গ্রেপ্তার বন্ধ করে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।  অন্যথায় চট্টগ্রাম মহানগর থেকে স্বেচ্চায় কারাবরণের মতো কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। 

সিনিয়র সহসভাপতি আলহাজ্ব আবু সুফিয়ান বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে সংবিধানের দোহায় দিয়ে কোন গড়িমসি চলবে না।  নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করতে হবে।  জনগণের ভোট জনগণ দিতে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কোন বিকল্প নেই।  শেখ হাসিনা সুষ্ঠু নির্বাচনের শত্র“।  তার অধীনে নির্বাচনের অর্থই হচ্ছে ভোটারদের ভোটধিকার হরণ।  শেখ হাসিনার অধীনে কোন নির্বাচন জনগণ মেনে নিবে না। 

উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে মহানগর বিএনপি যুবদল ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। 



keya