১:০৭ পিএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৯ মুহররম ১৪৪০


বেরোবিতে নীলদল থেকে শিক্ষকদের গণপদত্যাগ

০৩ জুলাই ২০১৮, ০৩:০১ পিএম | সাদি


শিপন তালুকদার,বেরোবি প্রতিনিধি: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের একাংশের সংগঠন নীলদল থেকে আবারো পদত্যাগ করেছেন অন্তত ১৫ জন শিক্ষক।  আরো অনেকে পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। 

গত কয়েক দিনে যে সকল শিক্ষক দলটি থেকে পদত্যাগ করেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে তাঁরা হলেন, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল হক, ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক মৌটুসী রায়, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মির্জা আমীর খসরু, প্রভাষক আনোয়ার হোসাইন, উইমেন এন্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক যারীন ইয়াসমিন চৈতী, প্রভাষক কুন্তলা চৌধুরী,গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নিয়ামুন নাহার (শিক্ষা ছুটি) গণিত বিভাগের অধ্যাপক ইসমাইল হোসেন, পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহ জামান, প্রভাষক চার্লস ডারউইন, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শেখ মাজেদুল হক, প্রভাষক নুরনবী ইসলাম,
রাকিবুল হাফিজ খাঁন রাকিব, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আমির শরীফ এবং একই বিভাগের প্রভাষক রাসেল উদ্দিন। 


জানা যায়, ২০০৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর ২০১১ সালে প্রগতিশীল ও আওয়ামী সমর্থিত শিক্ষকদের নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে প্রথম একটি সংগঠন আত্মপ্রকাশ করে।  তখন ৮৫ থেকে ৯০ জন শিক্ষকের মধ্যে প্রায় সবাই সেই দলের সদস্য হন।  তবে হাতে গোনা কয়েক জন সেই দলের বাইরে ছিলেন।  ২০১২ সালে শিক্ষক সমিতির প্রথম নির্বাচনে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে প্যানেল দেওয়া হলে বাইরে থাকা শিক্ষকবৃন্দ সম্মিলিত শিক্ষক সমাজের ব্যানারে আংশিক প্যানেল দেয়।  শিক্ষক সমিতির প্রথম ও দ্বিতীয় নির্বাচনে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নিরঙ্কুশ জয় পায়।  তবে

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর আমলে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের সমন্বয়ে আওয়ামী সমর্থিত অপর সংগঠন নীলদল প্রতিষ্ঠা করেন প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের বাইরে থাকা শিক্ষকবৃন্দ। 

নীল দল থেকে সদ্য পদত্যাগকারী শিক্ষকদের সাথে কথা হলে ব্যাক্তিগত কারণেই পদত্যাগ করেছেন বলে জানান। 

তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নতি করতে হলে সবাইকে একই প্লাটফর্মে আসা দরকার।  সবাই মিলে এক সাথে কাজ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এ বিষয়ে নীলদলের সভাপতি ড. নিতাই কুমার ঘোষের সাথে কথা হলে তিনি জানান, “শিক্ষকেরা তাদের ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট কারণেই পদত্যাগ করছেন।  তাই এ ব্যপারে কোন মন্তব্য করা ঠিক হবেনা।