৩:৩১ এএম, ২২ আগস্ট ২০১৮, বুধবার | | ১০ জ্বিলহজ্জ ১৪৩৯


‘বাংলা ভাষা জাতিসংঘের সপ্তম দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি’

১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০৪:৩২ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের গৌরবান্বীত স্বীকৃতি দিয়ে ভাষা শহীদ সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ আরও অনেকের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান-শ্রদ্ধা জানিয়েছে।  আমরা ইউনেস্কোকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।  আর সেই সাথে বাংলা ভাষা জাতিসংঘের সপ্তম দাপ্তরিক ভাষা করার দাবি জানাচ্ছি। 

সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ওলামা লীগ আয়োজিত ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৮’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এমন দাবি জানান বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ) সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়। 

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ইতিহাসবিদ সিরাজ উদ্দীন আহমেদ বলেন, বাংলা ভাষার সংগ্রামের ইতিহাস-ঐতিহ্য গৌরবের।  মায়ের ভাষা বাংলার জন্য শহীদ হয়েছিলেন এদেশের সালাম, রফিক, জব্বার, বরকতসহ আরও অনেকে।  তাদের আত্মত্যাগের ইতিহাস তুলে ধরার ব্যবস্থা করতে হবে।  ওলামা লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের আলেম-ওলামাকে ঐক্যবদ্ধ করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করবে বলে আমি আশাবাদী। 

বোয়াফ সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময় তার প্রধান বক্তার বক্তব্যে বলেন, সাহিত্যে নোবেল, চলচ্চিত্রে অস্কার, অনলাইন ও অফলাইনে সর্বত্র আজ বাংলা এগিয়ে আছে।  বিশ্বের ৭ম স্থানীয় বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায় ৩০ কোটিরও বেশি মানুষ।  বাংলার গৌরবের ইতিহাস এবং বহুল ব্যবহার ও স্বীকৃতি, জাতিগতভাবে আমাদের অনুপ্রাণিত করে।  


কবীর চৌধুরী তন্ময় আরও বলেন, জাতিসংঘের ৬টি দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ স্প্যানিশ, মান্দারিন, রুশ ও আরবির সাথে বাংলা ভাষাকে সপ্তম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা সময়ের প্রয়োজনীয় দাবি হয়ে উঠেছে। 

বাংলাদেশ ওলামা লীগের সভাপতি হাফেজ মাওলানা আনোয়ার হোসেন জুয়েলের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. সোলাইমান হোসেন, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক মুক্তি আন্দোলনের চেয়ারম্যান আশরাফ আলী হাওলাদার, বঙ্গবন্ধু আদর্শ বাস্তবায়ন পরিষদের সভাপতি শেখ মো. আবদুর রাজ্জাক শাকিল, স্বাদীনতা পার্টির মহাসচিব মিজানুর রহমান মিজু, ওলামা লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোখলেছুর রহমান, নেত্রকোনা জেলার সভাপতি হাফেজ মাওলানা রুহুল আমিন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিরি সাবেক সহ-সম্পাদক সৈয়দ জাকির হোসেন প্রমুখ।