৬:২৩ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | | ৬ সফর ১৪৪০


বাস্তব জীবনেও ‘সুপারহিরো’ বেনেডিক্ট

০৪ জুন ২০১৮, ০২:৫৭ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : ব্রিটিশ অভিনেতা বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ।  গোয়েন্দা টিভি সিরিজ ‘শার্লক’ ও মার্ভেলস এন্টারটেইমেন্টের ডক্টর স্ট্রেঞ্জ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত তিনি।  পর্দার বাইরে বাস্তবেও ‘সুপারহিরো’-এর মতো কাজ করেছেন এ অভিনেতা। 

স্ত্রী সোফি হান্টারকে সঙ্গে নিয়ে উবারে চেপে নৈশক্লাবে যাচ্ছিলেন বেনেডিক্ট কাম্বারব্যাচ।  হঠাৎ তিনি লক্ষ্য করেন একদল ছিনতাইকারী এক ব্যক্তির সাইকেল ছিনিয়ে নিতে চাচ্ছে।  তখন গাড়ি থেকে নেমে ছিনতাইকারীর কবল থেকে ওই ব্যক্তিকে রক্ষা করেন বেনেডিক্ট।  ‘দ্য সান’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

বেনেডিক্টের এ ঘটনাটি ঘটেছে তার টিভি সিরিজ শার্লক’র সেই বিখ্যাত বেকার স্ট্রিটের পাশে।  ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বেনেডিক্টকে বহনকারী উবারের চালক বলেন, ‘আমি প্রথমে তাকে চিনতে পারিনি।  যখন মেরিলবোন হাই স্ট্রিটে গাড়ি মোড় নিচ্ছিলাম, তখন দেখলাম চারজন যুবক একজন সাইকেল আরোহীর সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করছে।  আমার যাত্রী সেখানে ছুটে গিয়ে তাকে সরিয়ে দেয়।  পরিস্থিতি খুবই খারাপ দিকে যাচ্ছিল, তাই আমিও তার সঙ্গে যোগ দিই।  তিনি তাদের সাইকেল আরোহীকে ছেড়ে দিতে বলছিলেন।  তখন আমি বেনেডিক্টকে চিনতে পারি।  সবকিছু স্বপ্নময় মনে হচ্ছিল।  শার্লক হোমস বেকার স্ট্রিটের পাশে চারজনের সঙ্গে লড়াই করছেন। ’

তিনি আরো বলেন, ‘আমি একজন যুবককে ধরে ছিলাম এবং বেনেডিক্ট আরেকজনকে।  মনে হচ্ছিল, তিনি বুঝে শোনেই সব কিছু করছেন।  তিনি সাহসী ছিলেন।  সত্যি বলতে তিনি তখন সর্বোচ্চটুকুই করেছেন।  তারা তাকে আঘাত করতে চেয়েছিল কিন্তু তিনি খুব ভালোভাবেই তা সামলেছেন।  তিনি কোনো আঘাত পাননি।  আমার মনে হয়, পরবর্তী সময়ে তারাও বেনেডিক্টকে চিনতে পেরেছিল এবং সেখান থেকে পালিয়ে যায়। ’

উবার চালক জানান, ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যাবার পর বেনেডিক্ট সেই সাইকেল আরোহী কেমন আছে তা জিজ্ঞেস করেন।  যখন তিনি জানান, সবকিছু ঠিক আছে তখন ওই সাইকেল আরোহীকে জড়িয়ে ধরেন। 

ম্যানুয়েল ডায়াস নামের ওই উবার চালক বলেন, ‘‘সেই সাইকেল আরোহী ছিল ভাগ্যবান।  বেনেডিক্ট একজন ‘সুপারহিরো’।  তিনি সাহসী ও নিঃস্বার্থ।  তিনি যদি গাড়ি থেকে না নামতেন তা হলে সেই সাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হতেন। ’’

তবে নিজেকে হিরো মানতে রাজি নন বেনেডিক্ট।  তিনি বলেন, ‘আমার তখন যা ভালো মনে হয়েছে তাই করেছি। ’


keya