২:১১ এএম, ২৬ আগস্ট ২০১৯, সোমবার | | ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০




বাহারি ধরনের খেজুরের সমাহার নিয়ে কুষ্টিয়ায় সালেহ আতর ও খেজুর হাউস

১৯ মে ২০১৯, ০৯:২৮ এএম | জাহিদ


এস.এম.জামাল, কুষ্টিয়া : নাম তার মাওলানা মোহাম্মদ আবু সালেহ।  তিনি কুষ্টিয়া শহরের মসজিদে বেলাল এর খতিব ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ।  তিনি কুষ্টিয়া শহরে গড়ে তুলেছেন একটি ইসলামিক পণ্য বিক্রয় কেন্দ্র। 

কুষ্টিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে দোতলায় অবস্থিত তার দোকানটি।  দোকানের নাম সালেহ আতর এন্ড খেজুর হাউজ।  খাদ্যের গুণগত মান ঠিক রাখতে দোকানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করেছেন এই দোকান মালিক।  দোকানে প্রবেশ করতেই সুন্দর ছিমছাম গোছানো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তার দোকানটি।  দোকানে ঢুকতেই বড় বড় হরফে লেখা একটি ইসলামিক পণ্য বিক্রয় কেন্দ্র।  এক পাশে দেখা গেল বিভিন্ন ধরনের খেজুর। 

দোকানটির চারদিকে ঘুরে গিয়ে দেখা যায় কুরআন শরীফ, কাঠের রেহাল, দেশী বিদেশী উন্নত মানের আতর, দেশী-বিদেশী বিভিন্ন ধরনের টুপি, মেসওয়াক, উন্নত মানের জুব্বা ও পাঞ্জাবির কাপড়, জায়নামাজ, পাগড়ি, ঝুল রুমাল, হাজী রুমাল, ডিজিটাল তসবি, তসবি দানা, এছাড়াও সৌদি আরব, মদিনার সেরা খেজুর (আজুয়া, আম্বর, মারিয়াম, জওয়ানি) সহ জমজমের পানি, জয়তুনের তেল, কাজু বাদাম, পেস্তা বাদাম, কালোজিরা,কিসমিস, ইসুবগুলের ভুসিসহ বিভিন্ন সুন্নতি দ্রব্যাদি তার দোকানে থরে থরে সাজানো রয়েছে।  ইসলামিক পণ্য বিক্রয় কেন্দ্র হিসেবে জেলা জুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছে।  দেড়শ টাকা থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা কেজি পর্যন্ত বিদেশি বিভিন্ন ধরনের খেজুর রয়েছে এই দোকানে। 

জিয়াউর রহমান নামের এক ক্রেতা এসেছিলেন এই দোকানে।  তিনি এসএনএন২৪.কম’কে বলেন, আমি কুষ্টিয়া শহরের একটি ছাত্রাবাসে থাকি।  আমার রুমমেট একদিন এই দোকানে আমাকে সাথে করে নিয়ে এসেছিলেন এবং তিনি কিছু খেজুর এবং কিসমিস কিনেছিলেন।  এরপর থেকে আমার নিয়মিতই এই দোকানে আসা হয়।  আমি মাঝে মাঝেই আসি কিসমিস এবং খেজুর কেনার জন্য।  এই দোকানটি বেশ আমার কাছে ভালো লাগে। 

মহত এ ব্যবসায়ীর দুইটি ব্যতিক্রম কাজ মানুষের মনকে উত্তেজিত করে তোলে এর মধ্যে তিনি গরীব-দুঃখীদের জন্য ফ্রি কাফনের কাপড় পৌঁছে দেন এবং এই দোকানে আসা ক্রেতা সাধারণদের খেজুর দিয়ে প্রথমেই আপ্যায়িত করা হয়ে থাকে।  এর কারণ জানতে চাইলেই আবু সালেহ বলে ওঠেন আপ্যায়ন বা দানে সম্পদের পরিমাণ কমে না বরং বেড়ে যায়। 

মাওলানা মোহাম্মদ আবু সালেহ এসএনএন২৪.কম’কে বলেন, যে খাদ্যদ্রব্য আমি নিজে খেতে পারব না এবং আমার নিজের পরিবারকে খাওয়াতে পারব না সেই খাদ্যদ্রব্য অন্য কোন ক্রেতাদের কাছে আমি বিক্রি করব না।  তিনি বলেন, আমি আমার দোকানে মানসম্মত খাদ্যদ্রব্য ও অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি করে থাকি।  এছাড়াও মধু সংগ্রহ করতে আমি নিজেই চলে যাই মধু ওয়ালাদের সাথে।  নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মধু সংগ্রহ করি যেটা আমি নিজেই স্বচক্ষে দেখি যাতে করে কোন ভেজাল করার সুযোগ না থাকে।  ইসলামী শরীয়া মোতাবেক চলতে এবং মানুষের সেবায় ইসলামিক পণ্য বিক্রয় করতেই আমার এই দোকান দেওয়া। 


keya