৫:৩৬ এএম, ১২ জুলাই ২০২০, রোববার | | ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১




ভ্রমণের উত্তম স্থান মহেরা জমিদার বাড়ি

২০ নভেম্বর ২০১৮, ১০:৫২ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : ঢাকা থেকে একদিনের ভ্রমণের উত্তম স্থান হতে পারে মহেরা জমিদার বাড়ি।  এটি টাঙ্গাইলে অবস্থিত।  প্রায় ১২ শ একর জমির ওপর এই মহেড়া জমিদার বাড়ি অবস্থিত।  এটি তিনটি স্থাপনা নিয়ে তৈরি।  তিনটি স্থাপনার প্রতিটাতে অসাধারণ কারুকার্য করা।  এসব কারুকার্য দেখলেই মন ভরে যাবে। 

মহেরা জমিদার বাড়ির সামনে রয়েছে ‘বিশাখা সাগর’ নামে বিশাল এক দীঘি।  দিঘীর পাশেই রয়েছে বিশাল এ আম বাগান।  বাড়িতে প্রবেশের জন্য রয়েছে ২টি সুরম্য গেট।  জমিদার বাড়িটিতে শোভাবর্ধনে রয়েছে সুন্দর ফুলের বাগান।  বড় খাঁচায় আছে নানা প্রজাতির পাখি, যা দেখে মুগ্ধ হতে পারেন আপনি। 

১৮৯০ দশকের পূর্বে স্পেনের করডোভা নগরীর আদলে জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকবাহিনী মহেড়া জমিদার বাড়িতে হামলা করে এবং জমিদার বাড়ির কূলবধূসহ পাঁচজন গ্রামবাসীকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে। 

পরবর্তীতে তারা লৌহজং নদীর নৌপথে এ দেশ ত্যাগ করেন।  এখানেই তখন মুক্তিবাহিনীর ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছিল।  ১৯৭২ সালে এ জমিদার বাড়িটি পুলিশ ট্রেনিং স্কুল হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এবং ১৯৯০ সালে পুলিশ ট্রেনিং স্কুলকে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে উন্নীত করা হয়। 

জায়গাটা পিকনিকের জন্য একটি আদর্শ স্থান।  পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এমনিতেও বেড়াতে যেতে পারেন।  ছোটবড় সবারই ভালো লাগবে।  আর বেড়াতে গেলে যেকোনো সময়েই যেতে পারেন, পিকনিক মৌসুমের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। 

যেভাবে যাবেন : মহাখালী থেকে ‘ঝটিকা সার্ভিস’ নামে একটি বাস ছাড়ে।  এছাড়া টাঙ্গাইল যাওয়ার আরও বেশ কিছু ভালো বাস আছে।  মহেরা জমিদার বাড়ির বর্তমান নাম ‘মহেরা পুলিশ ট্রেইনিং সেন্টার’।  মহেরা জমিদার বাড়িতে যেতে হলে নামতে হবে ‘নাটিয়া পাড়া’ বাসস্ট্যান্ডে।  ঢাকা থেকে যেতে সময় লাগবে ২-২.৩০ ঘণ্টার মতো।  নেমে একটা অটোরিকশা নিয়ে যেতে হবে।  তবে রিকশায় করে সরাসরি মহেরা জমিদার বাড়িতে যাওয়া যাবে।  ভাড়া ২০-৩০ টাকা। 

জমিদার বাড়ি প্রবেশ করতে টিকিট কিনতে হবে, জনপ্রতি ২০ টাকা।  গাড়ি পার্কিং চার্জ আলাদা। 


keya