৯:৪১ পিএম, ২৪ জুন ২০১৯, সোমবার | | ২০ শাওয়াল ১৪৪০




মুখের ঘা সারাতে ৭টি ঘরোয়া সমাধান

২০ মে ২০১৯, ১২:১৫ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : সাধারণত, মুখে ঘা হয় ভিটামিন সি-এর অভাবে।  এছাড়া কোনোভাবে গালের ভেতরের অংশে বা জিভে কেটে ছড়ে গেলে বা কামড় লেগে।  খুব গরম খাবার বা তরল কিছু খেতে গিয়েও পুড়ে গিয়ে বা ফোসকা পড়ে মুখে ঘা হতে পারে।  অনেক সময় শক্ত ব্রাশ দিয়ে দাঁত মাজার সময় খোঁচা লেগেও মুখে ঘা হতে পারে।  মুখের ভিতরে কোনোভাবে ক্ষতর সৃষ্টি হলে কিছু খেতে গেলেই ব্যথা করতে থাকে বা জ্বালা করে।  এই কষ্টকর পরিস্থিতি থেকে রেহাই পেতে জেনে নিন ৫টি অব্যর্থ সমাধান। 

১. প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি জাতিও খাবার খান।  সরাসরি লেবু, আমলকী ও অন্যসব ফল খাওয়ার চেষ্টা করুম।  আপনি চাইলে কাচামরিচও খতে পারেন।  এতে ভালো ফল পাওয়া যায়। 

২. কয়েকটি তুলসি পাতা ঘণ্টা খানেক পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।  তুলসি পাতাসহ ওই পানি দিনে অন্তত তিন থেকে চারবার খেতে পারলে মুখের ঘা দ্রুত সেরে যাবে এবং একই সঙ্গে মুখের ঘা হওয়ার প্রবণতাও কমিয়ে দেবে। 

৩. এক চামচ নারকেলের দুধের সঙ্গে সম পরিমাণ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রণ দিনে অন্তত ৩-৪ চারবার মুখের ক্ষত স্থানে লাগান।  মধু ছাড়া শুধু নারকেলের দুধ দিয়েও ক্ষত স্থানে আলতো করে মালিশ করতে পারেন।  দেখবেন মুখের ঘা বা ক্ষত দ্রুত সেরে যাবে। 

৪. যষ্টিমধু মুখের ঘা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান।  ১ চামচ যষ্টিমধু, ২ কাপ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।  তারপর এই যষ্টিমধু ভেজানো পানি দিয়ে দিনের মধ্যে ৪-৫ বার কুলকুচি করুন।  দ্রুত উপকার পাবেন। 

৫. দ্রুত ব্যথা এবং জ্বালা কমাতে টি-ব্যাগ অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান।  একটি টি-ব্যাগ ঠাণ্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে নিয়ে সেটিকে ঘায়ের জায়গায় লাগান।  দেখবেন ব্যথা-বেদনা আর মুখের ক্ষত— দুই সেরে যাবে। 

৬. অ্যালোভেরা জেল বা অ্যালোভেরার রস মুখের ঘা দ্রুত কমিয়ে দিতে সক্ষম।  অ্যালোভেরা জেল বা অ্যালোভেরার রস হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক, যার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিফিংগাল, অ্যান্টিভাইরাল উপাদান দ্রুত ক্ষত সারিয়ে দিতে পারে। 

৭. মুখের ঘায়ে ব্যথা কমাতে লবণ পানি দিয়ে কুলকুচি করতে পারেন, এটি মুখের ভিতরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। 

উল্লেখিত উপায়গুলি ঘরোয়া টোটকামাত্র যেগুলি দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।  আধুনিক চিকিত্সায় এই পদ্ধতিগুলি তেমনভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।  তাই মুখের ঘা যদি দীর্ঘদিন ধরে না কমে, সে ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।