৬:০৯ এএম, ১৯ জুলাই ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৬ জ্বিলকদ ১৪৩৯


মিঠুনপুত্রের ধর্ষণের দায়ে বিয়ে ভাঙল

০৮ জুলাই ২০১৮, ১০:০৫ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : শেষ মুহূর্তে এসে বিয়ে ভেঙে গেল কলকাতার বাংলা ও বলিউডের হিন্দি সিনেমার কিংবদন্তী নায়ক মিঠুন চক্রবর্তীর বড় ছেলে মহাক্ষয় ওরফে মিমোর।  ৭ জুলাই, শনিবার তার বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।  কিন্তু সে বিয়ে হয়নি। 

সম্প্রতি মিমোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা করেন এক নারী।  ওই নারীর অভিযোগ, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত চার বছর ধরে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রেখেছেন মিমো। 

এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরেও বিয়ে বাতিল করেননি কনে মদালসা শর্মার পরিবার।  কনের মা বলেছিলেন, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নির্দিষ্ট তারিখেই বিয়ে হবে।  সে অনুযায়ী বিয়ের আসরও বসেছিল তামিলনাড়ুর নীলগিরি জেলার উধগমন্ডলমের একটি রেস্টুরেন্টে।  বিলাসবহুল এই রেস্টুরেন্টটি মহাক্ষয়ার বাবা অভিনেতা মিঠুনের।  কিন্তু ৭ জুলাই, শনিবার বিয়ের দিনেই সেই হোটেলে গিয়ে উপস্থিত হয় পুলিশের তদন্তকারী একটি দল।  পরে বিয়ে বাতিল করে ফিরে যান কনেপক্ষ। 

দিন পাঁচেক আগে ইন্ডিয়া টুডে’র একটি রিপোর্ট বলা হয়েছিল, গত সোমবার দিল্লির রোহিণী আদালতে মিঠুনের ছেলে মহাক্ষয়ার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন অভিযোগকারী নারী।  আদালতের নির্দেশে পরে এফআইআর দায়ের করা হয়। 

এ মামলায় শুধু মহাক্ষয়ই নয়, অভিযোগ দায়ের হয় তার মা অর্থাৎ মিঠুনের স্ত্রী যোগিতা বালির বিরুদ্ধেও।  তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জোর করে গর্ভপাত করানোর অভিযোগ ওঠে। 

এদিকে চলতি সপ্তাহে দিল্লির এক আদালত জানায়, মিমো ও যোগিতার বিরুদ্ধে এফআইআর করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আছে। 

অন্যদিকে গ্রেপ্তারি এড়াতে বৃহস্পতিবার বোম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মিমো ও তার মা যোগিতা বালি।  সেই আর্জি খারিজ করে বিচারপতি জানান, এ বিষয়ে দিল্লির সংশ্লিষ্ট আদালতে গিয়ে আবেদন জানাতে হবে।  পরে দিল্লির আদালত এক লাখ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে মা-ছেলের জামিন দেয়।  কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি।  ভেঙেই গেল বিয়েটা। 

২০১৫ সাল থেকে মহাক্ষয়ের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল বলে কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন অভিযোগকারী তরুণী। 

তার অভিযোগ, কোমল পানীয়ের সঙ্গে মাদক মিশিয়ে তাকে অচেতন করেন মহাক্ষয়।  পরে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন।  অন্তঃসত্ত্বা হয়েছেন জানার পর নাকি ওষুধ দিয়ে তরুণীর বাচ্চা নষ্ট করে ফেলেন মিঠুনের স্ত্রী যোগিতা বালি।  মা-ছেলে নাকি তাকে মৃত্যুর ভয়ও দেখান।  এর পরই তিনি ভয়ে মুম্বাই থেকে দিল্লি চলে যান এবং রোহিণী থানায় মিমোদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।