৭:৫০ পিএম, ২৩ মে ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৮ রমজান ১৪৪০




মানুষ গড়ার কারিগড় মছদ্দর স্যার আর নেই!

০৭ মে ২০১৯, ০৮:৫৪ পিএম | জাহিদ


হাবিব সরোয়ার আজাদ, সিলেট : স্বাধীনতা পুর্ব সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের পশ্চাদপদ দূর্গম জনপদে প্রতিষ্ঠিত বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজী শিক্ষক আলহাজ্ব মছদ্দর আলী পীর (৭৫) ওরফে সবার প্রিয় মছদ্দর স্যার আর নেই! (ইন্না লিল্লাহি ---রাজিউন)। 

সোমবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইইউসিতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মৃত্যু বরণ করেন।  

মঙ্গলবার পহেলা রমজান বাদ জোহর তাহিরপুরের বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে নামাজে জানাযা শেষে মল্লিকপুর গ্রামের বাড়িতে পারিবারীক কবরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়। 

তাহিরপুরের বাদাঘাট উওর ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের প্রয়াত আশ্রব আলী পীরের কনিষ্ট পুত্র মছদ্দর আলী পীর স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে উওর জনপদে প্রতিষ্টিত ঐতিহ্যবাহি বিদ্যাপীঠ বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ে টানা ৩০ বছর ইংরেজি শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বপালন করে অবসরে যান। ,

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী , ৫ ছেলে ২ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্বীয় স্বজন, গুনগ্রাহি, সহকর্মী এবং সারাদেশে হাজারো প্রতিষ্ঠিত শিক্ষার্থী রেখে গেছেন। 

মরহুমের জৈষ্ঠ পুত্র শাহ মোহাম্মদ মোবাশ্বির সিলেট রেঞ্জের হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থানায় পুলিশ ইন্সপেক্টর হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।  এছাড়া মরহুমের অপর ৫ পুত্র সন্তানদের মধ্যে একজন যুক্তরাষ্ট’র একটি ব্যাংকে, অপর জন সিলেটের একটি প্রাইভেট ব্যাংকে কর্মরত, অপরজন শিক্ষানবীশ আইনজীবী, অপরজন বিসিএস ফলপ্রার্থী ও অপর আরো এক পুত্র ঐতিহ্যবাহি প্রাচীন বিদ্যাপীঠ সিলেট এমসি কলেজ থেকে মাস্টার্স চুড়ান্ত পরীক্ষা শেষে ফলাফলপ্রার্থী।  মরহুমের স্ত্রী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হিসাকে কর্মরত থেকে অবসরে যান এছাড়া দুই কন্যা সহকারি শিক্ষক হিসাবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা পেশায় কর্মরত রয়েছেন। ,

উপজেলার বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম দানু, প্রতিষ্ঠানের সকল  শিক্ষক, প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীগণ, এলাকার জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্ধ মছদ্দর আলী স্যারের মৃত্যুতে গভীর মোক প্রকাশ করে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। 

নোট: প্রয়াত মছদ্দর আলী পীর আমার এবং এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হাজার হাজার শিক্ষার্থীর শিক্ষক ছিলেন তাই সংবাদটি অনলাইন ভার্সন ও প্রিন্ট ভার্সনে স্বল্প পরিসরে হলেও প্রকাশের আপনাদের  সদয় দৃষ্টি আর্কষণ করছি। 


keya