১১:৪৫ পিএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার | | ৮ সফর ১৪৪০


মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বেঁধে দেয়া হচ্ছে

২১ এপ্রিল ২০১৮, ১২:২৫ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : উদ্যোগ নেয়ার পাঁচ বছরের মাথায় বাস্তবায়ন হতে যাচ্ছে মোবাইল ইন্টারনেটের সুনির্দিষ্ট দাম।  এর ফলে শিগররই বন্ধ হতে যাচ্ছে নানা প্যাকেজ আর অফারে মোবাইল ইন্টারনেটের তেলেসমাতি।  সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, এখন গ্রাহকের কাছে কম দামে মোবাইল ইন্টারনেট দিতে দাম বেঁধে দিয়ে নির্দেশনা জারি করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।  এই সময় আগামী বাজেটের পর পরই হতে পারে বলে জানা গেছে। 

উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ)- এর পরামর্শক মোবাইল ইন্টারনেটের কস্ট মডেলিং সংক্রান্ত সার্ভে প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা পড়েছে।  এই প্রতিবেদনকে সামনে রেখেই তিনটি বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বেঁধে দেয়া হচ্ছে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম।  এগুলো হলো সাধারণ মানুষের কাছে ইন্টারনেট কম দামে দেয়া, গতি দেয়া এবং সহজলভ্য করা। 

এর আগে দায়িত্ব নিয়েই ইন্টারনেটের এই দাম বেঁধে দেয়ার বিষয়টি দ্রুত বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।  দায়িত্ব গ্রহণের সাড়ে তিন মাসের মাথায় ইন্টারনেটের কস্ট মডেলিংয়ের বিষয়টি বাস্তব করার পর্যায়ে এসেছে। 

এ বিষয়ে মোস্তাফা জব্বার বলেন, আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ)-এর কনসালটেন্টদের পরামর্শ পেয়েছি।  এখন কারও এক এমবি বা এক জিবি অথবা যার ইন্টারনেট প্যাকেজ যাই হোক-ইন্টারনেট সেবায় অপারেটরগুলোর কার কোথায় কেমন খরচ তা হিসাব করতে পারবো।  একদম দিনক্ষণ ঠিক করে ঘোষণা দিচ্ছি না।  তবে শিগগরিই ইন্টারনেটের দাম বেঁধে দিয়ে সিদ্ধান্ত আসছে। 

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)  মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারের মূল্য নির্ধারণের উদ্যোগ নেয়।  তখন বিটিআরসির এই উদ্যোগে অসন্তুষ্ট হয়েছিল মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো।  তাদের আপত্তির মুখে পরবর্তী তিন বছর এই উদ্যোগ ছিলো হিমঘরে বন্দি।  এরপর ২০১৬ সালের শুরুতে আবার এই কস্ট মডেল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়।  কিন্তু পারমর্শক ফি না দেয়ায় তখন আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের কাছ থেকে সহযোগিতা পায়নি বিটিআরসি। 

এমন পরিস্থিতিতে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চে ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের নির্বাহী কমিটির সভায় মোবাইল ইন্টারনেটের দাম বেঁধে দেয়ার বিষয়ে সোচ্চার হন মোস্তাফা জব্বার।  এতে টাস্কফোর্স বিটিআরসিকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে এই মডেল তৈরি করে তা জমা দিতে বলেছিল।  ওই সভার নির্দেশনার পর ২০১৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে আইটিইউ’র পরামর্শক নিয়োগ দেয় নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি।