৭:২৭ এএম, ২০ জুন ২০১৯, বৃহস্পতিবার | | ১৬ শাওয়াল ১৪৪০




মার্কিন উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পাশে দাঁড়ালো চীন

১৮ মে ২০১৯, ১১:০৬ এএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্য উপসাগরের তীরে অবস্থিত তেলসমৃদ্ধ দেশ ইরানের চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছে।  হরমুজ প্রণালির কাছে আমিরাতের চারটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার ঘটনার পর সোমবার (১৩ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে  ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘বেশি বাড়াবাড়ি করলে তেহরানকে চরম মূল্য দিতে হবে। 

ছেড়ে কথা বলেনি ইরানও।  যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ার করে তেলসমৃদ্ধ দেশটি বলেছে, সময় পাল্টে গেছে তাই যুক্তরাষ্ট্র যেন নিজেকে সময়ের সঙ্গে বদলে ফেলার চেষ্টা করে।  কেননা বিশ্বের অন্যান্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের দিন শেষ হয়ে গেছে। 

এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে দাঁড়ালো বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তিধর দেশ চীন।  দেশটির শীর্ষ কূটনীতিক তেহরানকে বলেছেন, তারা একতরফা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরোধী এবং স্বার্থ সুরক্ষায় তেহরানের চেষ্টাকে সমর্থন জানাচ্ছে।  

বার্তা সংস্থা ‘রয়টার্স’ এর এক প্রতিবেদন থেকে এ খবর জানা যায়।  প্রতিবেদনে বলা হয়, বেইজিংয়ে শুক্রবার (১৭ মে) চীনের স্টেট কাউন্সিলর ওয়া ঈ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফকে বলেন, দ্রুত বিকাশমান এই পরিস্থিতি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।  দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বাড়াতে হবে। 

তিনি বলেন, চীন দৃঢ়তার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞার বাস্তবায়নের বিরোধিতা করছে।  আমরা বর্তমান পরিস্থিতি এবং ইরানের উদ্বেগকে উপলব্ধি করতে পেরেছি। 

ইরানের পরমাণু চুক্তির শর্ত পালন ও ভবিষ্যতেও তা বজায় রাখাকে চীন সম্মানের চোখে দেখে বলেও তিনি জানান। 

এদিকে জাভেদ জারিফ বলেন, চুক্তি থেকে সরে আসার কোনো ইচ্ছা ইরানের নেই।  তার দেশ সবসময় যুদ্ধের বিরোধী। 

চীন-ইরানের মধ্যে ঘনিষ্ঠ বাণিজ্য ও জ্বালানি সম্পর্ক রয়েছে।  তবে ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ধরে রাখতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হচ্ছে বেইজিংকে।  কারণ ইরানের আঞ্চলিক শত্রু সৌদি আরবের সঙ্গেও সম্পর্ক রক্ষা করে যেতে হচ্ছে চীনকে।