৪:২৫ এএম, ২৪ নভেম্বর ২০১৭, শুক্রবার | | ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

মূলধন সংরক্ষণে পিছিয়ে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংক

১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১১:১৯ পিএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন সংরক্ষণে বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকের চেয়ে পিছিয়ে আছে রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলো।  মোট ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের ন্যূনতম ১০ ভাগ মূলধন সংরক্ষণ করার নিয়ম থাকলেও সরকারি ব্যাংকগুলোর আছে মাত্র ৭ ভাগ।  তাই ঝুঁকিতে থাকা ছোট ও দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। 

সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি ও বেসিক ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের দেয়া ঋণ মন্দ ঋণের অন্তর্ভুক্ত।  এসব মন্দ ঋণ আদায় না হওয়ায় ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বেড়ে গেছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্যমতে, গত জুনে ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদ বেড়ে হয়েছে ৮ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। 

ব্যাসেল-থ্রি নীতিমালা অনুযায়ী, ঝুঁকি এড়াতে ব্যাংকগুলোর ঝুঁকিভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে ১০ ভাগ মূলধন সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা আছে।  আর ২০১৯ সালে সাড়ে ১২ ভাগ মূলধন সংরক্ষণ করতে হবে।  সবশেষ হিসেবে, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মূলধন সংরক্ষণের হার ছয় দশমিক ৯৯।  বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে এ হার বেশি থাকায় সার্বিকভাবে ব্যাংকিং খাতে মূলধন সংরক্ষণের গড় হার ১০ দশমিক ৮৬। 

আন্তর্জাতিক নীতিমালা বাস্তবায়নে সক্ষম নয়- এমন দুর্বল ব্যাংকগুলো একীভূত করতে দ্রুত মার্জার আইন করার তাগিদ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।  রাষ্ট্রায়াত্ত ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণ আদায়ে আরো কঠোর হওয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।  পাশাপাশি সতর্কতার সাথে যাচাই-বাছাই করে ঋণ দেয়া প্রয়োজন।