৩:২৭ এএম, ২৮ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার | | ৫ শাওয়াল ১৪৪১




মালয়েশিয়ায় ৪০ শতাংশ বিদেশি শ্রমিক অনিবন্ধিত

৩০ নভেম্বর -০০০১, ১২:০০ এএম | মোহাম্মদ হেলাল


সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

 

কুয়ালালামপুর: মালয়েশিয়ায় বিদেশি শ্রমিকদের মধ্যে ৪০ শতাংশই অনিবন্ধিত বলে জানিয়েছেন দেশটির মানবসম্পদ মন্ত্রী দাতুক রিচার্ড রায়ট জায়েম। 

তিনি বলেছেন, ২০২০ সালের মধ্যে বিদেশি কর্মীর ওপর নির্ভরশীলতা কমানোর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় মালয়েশিয়া।  কিন্তু এ বড় অংশ অনিবন্ধিত শ্রমিকের কারণে তা বেশ দ‍ুরূহ হয়ে পড়েছে দেশটির পক্ষে। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

রিচার্ড রায়ট জায়েম বলেন, মালয়েশিয়া যখন একটি উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠবে, তখন মোট শ্রমশক্তির ১৫ শতাংশ বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভর হওয়াটাই সরকারের লক্ষ্য। 

‘আমাদের কাছে নিশ্চিত জরিপ নেই, তবে হিসেব অনুযায়ী প্রতি ১০ জন নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকের বিপরীতে ৭ জন অনিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিক রয়েছেন। ’

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার সংসদে (আইনসভার নিম্নকক্ষ) বিরোধীদল পাস পার্টির সংসদ সদস্য নাসরুদিন হাসানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব বিদেশি শ্রমিক হয়তো এমন মাধ্যমে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে, যেটা সরকার স্বীকৃত নয়।  হয়তো মালয়েশিয়ায় নিয়োগকর্তারা অনিবন্ধিত এজেন্সির মাধ্যমে তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকেন। 

রায়ট বলেন, সরকারি হিসেব অনুযায়ী ১৯ লক্ষ্য নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিক রয়েছেন।  তবে এ সংখ্যক শ্রমিক ভবিষ্যতে মালয়েশীয়দের জন্যে কাজের অভাব তৈরি করবে না।  সরকার সব সময়ই কর্মক্ষমতা হিসেবে মালয়েশীয়দের অগ্রাধিকার দেবে। 

তিনি বলেন, বর্তমানে প্রচুর সংখ্যক কর্মীর প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে।  ফলে ২০২০ সালের মধ্যে অন্তত শ্রমশক্তির ৪০ শতাংশ মালয়েশীয়রা অর্জন করতে পারবে। 

আরেকজন সংসদ সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে রায়ট বলেন, কিছু সংখ্যক মালিক বিদেশি শ্রমিকদেরই প্রাধান্য দেন।  কারণ তারা কম বেতনে শ্রম দেন। 

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এটা অনস্বীকার্য যে কিছু নিয়োগকর্তা অনিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করাতে চান।  তবে দেশি হোক আর বিদেশি হোক, শ্রমিকের বেতনে বৈষম্য করা উচি‍ৎ নয়।  এটা বিদেশি শ্রমিকের নিবন্ধনেই উল্লেখ থাকবে। 

‘এরপরও যেসব নিয়োগকর্তা অনিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিক পছন্দ করবেন, বুঝতে হবে তাদের বেতন কম দেওয়াই মূল লক্ষ্য,’ যোগ করেন তিনি।  

বাংলাদেশ সময়: ২২৩৩ ঘণ্টা, অক্টোবর ২৬, ২০১৬
এমএন/এমএ