৩:০০ পিএম, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার | | ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০




প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে

মহামতি গৌতম বুদ্ধের অহিংস নীতি ধারণ, লালন ও চর্চার আহবান

২৪ অক্টোবর ২০১৮, ০৫:২৫ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য তীর্থ স্থান বাংলাদেশ।  এখানে সকল ধর্মের মানুষ তাঁদের স্ব স্ব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করে আসছে এবং এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি সকল ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের মানুষ সামাজিক উৎসব হিসেবে আবহমান কাল থেকে পালন করছে। 

২৪ অক্টোবর ২০১৮ তারিখ সকাল ১০ টায় চ.বি. বঙ্গবন্ধু চত্বরে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ছাত্র পরিষদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্যোগে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শান্তি শোভাযাত্রা উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

উপাচার্য তাঁর ভাষণের শুরুতে পবিত্র প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের স্বাগত ও মৈত্রীময় শুভেচ্ছা জানান।  তিনি বলেন, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চললে মানুষের মধ্যে বিবেক বোধ জাগ্রত হয়, আত্মশুদ্ধি অর্জিত হয়।  ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাহাত্ম দেহ-মনকে পরিশুদ্ধ করে একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।  বর্তমান অশান্ত বিশ্বে মহামতী গৌতম বুদ্ধের অমীয় বাণী অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখছে অভিমত ব্যক্ত করে উপাচার্য বলেন, ১৯৭১-এ জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে তাঁরই নেতৃত্বে এদেশের সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ প্রাণপণ যুদ্ধ করে বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠা করেছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অসাম্প্রদায়িক-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। 

মহান মুক্তিযুদ্ধের এ অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধু তনয়া আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশের সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষ ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসে উন্নয়ন-অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখছে।  উপাচার্য শিক্ষার্থীদেরকে মহামতি গৌতম বুদ্ধের অহিংস নীতি  ধারণ, লালন, চর্চার মাধ্যমে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহবান জানান। 

পরে উপাচার্যকে উক্ত সংগঠনের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করা হয় এবং প্রবারণা ও কঠিনচীবর দান উপলক্ষে প্রকাশিত স্যুভেনির ‘বিবর্তন’-এর একটি কপি উপহার হিসেবে প্রদান করেন।   

শান্তি শোভাযাত্রায় অন্যান্যের মধ্যে চ.বি. বৌদ্ধ ছাত্র পরিষদের সভাপতি পালি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব অরূপ বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক জনাব অলি চাকমা, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের প্রভাষক জনাব বাসবী বড়ুয়া, ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য শাখা) জনাব দিবাকর বড়ুয়া, পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব সৌরজিৎ বড়ুয়া, সদস্য-জীবন বড়ুয়া, সৌরভ মুৎসুদ্দি, ওসন্দা মার্মাসহ বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। 



keya