৫:২০ এএম, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, রোববার | | ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২




যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাবাস: আপিল বিভাগ

০১ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:৩৪ এএম |


এসএনএন২৪.কমঃ যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর কারাদণ্ড।  তবে আদালত, ট্রাইব্যুনাল চাইলে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিতে পারবেন।  সে ক্ষেত্রে ৩০ বছরের বিধান প্রযোজ্য হবে না। 

আসামিপক্ষের পুনর্বিবেচনার (রিভিউ) আবেদনের বিপরীতে রায় ঘোষণায় আপিল বিভাগের রায়টি বহাল রাখা হয়েছে।  মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ভার্চুয়াল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। 

ভার্চুয়াল আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেনন অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ।  আর আসামি পক্ষে ছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন ও আইনজীবী শিশির মনির। 

এর আগে গত ২৪ নভেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির ভার্চুয়াল আপিল বেঞ্চ ১ ডিসেম্বর রায়ের দিন ধার্য করেছিলেন। 

গত বছরের ১১ জুলাই আপিল বেঞ্চ এ রিভিউ শুনানি শেষে বিষয়টি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখেন।  এ রিভিউ শুনানিতে আইনি মতামত তুলে ধরেন চার অ্যামিকাস কিউরি।  তারা হলেন-ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, এ এফ হাসান আরিফ, অ্যাডভোকেট আবদুর রেজাক খান, মুনসুরুল হক চৌধুরী ও এ এম আমিন উদ্দিন। 

একটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে ২০০৩ সালের ১৫ অক্টোবর রায় দেন বিচারিক আদালত।  এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।  তাদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স শুনানির জন্য হাইকোর্টে আসে।  শুনানি নিয়ে ২০০৭ সালের ৩০ অক্টোবর হাইকোর্ট রায়ে দুজনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন।  তারা হলেন আতাউর মৃধা ওরফে আতাউর ও আনোয়ার হোসেন। 

এই রায়ের বিরুদ্ধে আসামিরা আপিল বিভাগে আপিল করেন।  ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া রায়ে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  সে সঙ্গে আদালত যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাবাস বলে সাত দফা অভিমত দেন। 

তবে আপিল বিভাগের দেওয়া এ রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করে আসামি আতাউর মৃধা।