১:৪৩ পিএম, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮, সোমবার | | ৮ রবিউস সানি ১৪৪০




যমজ ফল খেলে কি যমজ সন্তান হয় ?

১৯ অক্টোবর ২০১৮, ০৯:৫৬ এএম | মাসুম


এসএনএন২৪.কম : সমাজে অনেকের মধ্যেই এমন ধারণা বিদ্যমান যে যমজ ফল খেলে নারীরা যমজ সন্তান ধারণ করেন।  আর এই ধারণা থেকে অনেক নারীই যমজ ফল খাওয়া এড়িয়ে চলেন।  তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।  সুতরাং যমজ সন্তান হওয়ার ক্ষেত্রে যমজ ফল কোনোভাবেই প্রভাব বিস্তার করে না। 

তাহলে যমজ সন্তান কেন? চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে, মনোজাইগোটিক টুইন এবং ডাইজাইগোটিক টুইন; এই দুই পদ্ধতিতেই যমজ সন্তান হয়। 

প্রথম পদ্ধতি বা মনোজাইগোটিক টুইনের ক্ষেত্রে একই সঙ্গে দুটি ডিম্বাশয় থেকে দুটি ডিম্বাণু অথবা একই ডিম্বাশয় থেকে দুটি ডিম্বাণু নির্গত হয় এবং প্রতিটি ডিম্বাণু একটি করে শুক্রাণুর সঙ্গে মিলিত হয়ে যমজ সন্তান উৎপাদন করে। 

অন্যদিকে ডাইজাইগোটিক টুইনের ক্ষেত্রে ডিম্বাশয় থেকে মাত্র একটি ডিম্বাণু নির্গত হয় এবং শুধু একটি এককোষ জাইগোট তৈরি হয়।  পরে কোষসংখ্যা বৃদ্ধির জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে দুটি যমজ সন্তান উৎপাদন করে। 

প্রথম পদ্ধতিতে দুটি ছেলে অথবা দুটি মেয়ে অথবা একটি ছেলে ও একটি মেয়ের জন্ম হতে পারে।  এক্ষেত্রে তাদের গায়ের রঙ, চোখের রঙ, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ার পাশাপাশি রক্তের গ্রুপও ভিন্ন হতে পারে।  আর এ কারণে দুইজনকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা যায়। 

অন্যদিকে দ্বিতীয় পদ্ধতিতে জন্ম নেয়া সন্তানদের গায়ের রঙ, চোখের রঙ, লিঙ্গ, চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এমনকি রক্তের গ্রুপও হুবহু একই হয়।  এরা প্রয়োজনে একজন আরেকজনকে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করতে পারে।  এদের বাহ্যিক চেহারায় মিলের কারণে নিকটাত্মীয়রাও অনেক সময় তাদের আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন না।