৫:৫১ পিএম, ১৭ অক্টোবর ২০১৮, বুধবার | | ৬ সফর ১৪৪০


রাউজানে নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত, চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন

১১ জুন ২০১৮, ১০:১৩ পিএম | সাদি


প্রদীপ শীল, রাউজান প্রতিনিধি : টানা তিন দিনের বৃষ্টিতে রাউজানের নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।  চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় সকাল থেকে যান চলাচল বন্ধ ছিল।  বিকালের দিকে যান চলাচল স্বভাবিক হয়।  এতে দুর পাল্লা মানুষের ভোগান্তির স্বীকার হতে হয়। 

উপজেলার বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন কালে দেখা যায়, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলে ডাবুয়া খাল, রাউজান খাল, বেরুলিয়া খাল ও সর্তার খালে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়।  প্রবল স্রোতের পানি ছড়িয়ে পড়ে নিচু এলাকা জলাবন্ধতা সৃষ্টি হয়।  কিছু কিছু পুকুর ডুবে গিয়ে মৎস্য চাষ ক্ষতির সমূখিন হয়।  পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া বিভিন্ন সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 

পার্বত্য এলাকা থেকে নেমে আসা পানি ডাবুয়া, হলদিয়া, চিকদাই, বিনাজুরী ও পৌর এলাকায় বেশি ক্ষতির সমূখিন হয়েছে বলে জানা গেছে।  শহীদ জাফর সড়ক, উপজেলা সড়ক হয়ে হলদিয়া ভিলেজ সড়ক, মরহুম শফিকুল ইসলান সড়ক পানি নিচে ডুবে যায়।  এতে  যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন ছিল।  রাঙ্গামাটি সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় টিএনটি এলাকা, বেরুলিয়া, দায়ের ঘাটা ও ঢেউয়াপাড়া এলাকায় দীর্ঘক্ষণ মহা সড়কে যান চলাচল বন্ধ ছিল। 

রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রচেষ্টায় কাঁশখালী খাল খনন করায় সদর জলিল নগর মুন্সিরঘাটা এলাকায় জলমগ্ন হয় নি।  বিগত সময়ে বাণিজ্যিক প্রাণ কেন্দ্র ফকির হাট, রাউজান বাস ষ্টেশান ও মুন্সিরঘাটা এলাকা অল্প বৃষ্টিতে তলিয়ে যেত।  বিশেষ করে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হতো বেশি।  এবার ঈদের জমজমাট কেনা কাটায় বৃষ্টির পানি দোকানে প্রবেশ করতে পারেনি।  সে কারণে তেমন প্রভাব পড়েনি বলে জানান ব্যবসায়ীরা।  অপর দিকে দক্ষিণ রাউজানে কিছু কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।  বাগোয়ান, নোয়াপাড়া ও পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে নিম্ন অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। 

উপজেলা ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অফিস সূত্রে জানা যায়, পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা হচ্ছে।  প্রকল্প কর্মকর্তা নিয়াজ মোরর্শেদ জানান, সব ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।  সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী নির্দেশনা রয়েছে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা প্রনয়নের।  সে লক্ষক্ষে সবকিছু মোকাবেলা করা হচ্ছে।  তবে রাউজানে এখানে বড় ধরনের সমস্যা নেই।  


keya