১২:৪০ এএম, ২৩ নভেম্বর ২০১৭, বৃহস্পতিবার | | ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯

South Asian College

রাজস্ব আয় বেড়েছে সিভিল এভিয়েশনের

০৯ নভেম্বর ২০১৭, ০৩:২৮ এএম | সাদি


এসএনএন২৪.কম : রাজস্ব আয় বেড়েছে সিভিল এভিয়েশন অথরিটির।  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সংস্থাটির আয় হয়েছে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি ৩ লাখ টাকা।  যেখানে বিগত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে সিভিল এভিয়েশনের আয় ছিল ১ হাজার ৩৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা। 

সিভিল এভিয়েশন অথরিটি তবে সার্বিক আয় বাড়লেও ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নন-এরোনটিক্যাল খাত থেকে আয় কমেছে।  ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নন-এরোনটিক্যাল খাত থেকে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা।  যা বিগত অর্থবছরে (২০১৫-১৬) ছিল প্রায় ১৫৩ কোটি।  সিভিল এভিয়েশন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

সূত্র জানায়, দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলো ব্যবহারের জন্য দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের কাছ থেকে ল্যান্ডিং, এরোনটিক্যাল ও নন-এরোনটিক্যাল চার্জ সিভিল এভিয়েশনের আয়ের মূল উৎস।  বিমানবন্দর ব্যবহার না করলেও বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করে যাওয়া এয়ারলাইন্সগুলোর কাছ থেকে এয়ারনেভিগেশন ও ওভারফ্লাইং খাত থেকেও আয় করে সিভিল এভিয়েশন। 

এছাড়াও বিমানবন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো ভাড়া, বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করে সংস্থাটি।  এসব আয় থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, বিমানবন্দর মেরামত, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করে সিভিল এভিয়েশন। 

জানা যায়, ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে সিভিল এভিয়েশনের মোট রাজস্ব আয়ের বিপরীতে রাজস্ব ব্যয় হয়েছে ৯৪২ কোটি ২৯ লাখ টাকা।  এছাড়া সরকারকে লভ্যাংশ দেওয়া বাবদ ব্যয় হয়েছে ১২০ কোটি টাকা।  এ অর্থবছরে সব ব্যয়ের পর সংস্থাটির উদ্বৃত্তের পরিমাণ ৬১৪ কোটি টাকা।  ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে সিভিল এভিয়েশনের মোট রাজস্ব আয়ের বিপরীতে রাজস্ব ব্যয় হয়েছিলো ৬৩২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।  এছাড়া সরকারকে লভ্যাংশ দেওয়া বাবদ ব্যয় হয়েছিলো ১০৫ কোটি টাকা। 

সিভিল এভিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, একটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের জন্য প্রতিবার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট শেষে ল্যান্ডিংয়ের চার্জ ২ হাজার ৪০৩ টাকা দিতে হয়।  অনুরূপভাবে এটিআর-৭২ উড়োজাহাজের জন্য ৩ হাজার ৯২২, এমব্রয়ার-১৪৫ উড়োজাহাজের জন্য ৪ হাজার ১৭৫, বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজের জন্য ১৮ হাজার ৬১৯, এমডি-৮৩ উড়োজাহাজের জন্য ১৯ হাজার ১৪৬, এয়ারবাস-৩১০ উড়োজাহাজের জন্য ৫২ হাজার ৩৩১ টাকা চার্জ দিতে হয়। 

আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের যেকোনও বিমানবন্দরে ল্যান্ডিংয়ের জন্য একটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের জন্য দিতে হয় ৩৩ হাজার ৯২৪, এটিআর-৭২ উড়োজাহাজের জন্য ৪৬ হাজার ৩১৫, এমব্রয়ার-১৪৫ উড়োজাহাজের জন্য ৪৬ হাজার ৮৩২, বোয়িং-৭৩৭ উড়োজাহাজের জন্য ১ লাখ ১২ হাজার ৩৪০, এমডি-৮৩ উড়োজাহাজের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার ৪১৮, এয়ারবাস-৩১০ উড়োজাহাজের জন্য ২ লাখ ৮০ হাজার ৫০৮ টাকা চার্জ দিতে হয় সিভিল এভিয়েশনকে। 

বেবিচকের সদস্য (অর্থ) মিজানুর রহমান বলেন, ‘প্রতিনিয়ত বাড়ছে সিভিল এভিয়েশনের পরিধি।  আগের চেয়ে অনেক বেশি ফ্লাইট দেশের বিমানবন্দরগুলোয় উড্ডয়ন ও অবতরণ করছে।  এছাড়া পাওনা আদায়েও কঠোর অব্স্থান রয়েছে সংস্থাটি। ’