১:০৮ এএম, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, শুক্রবার | | ৮ সফর ১৪৪০


রানীশংকৈল -হরিপুর মহাসড়কের যাত্রী ছাউনি প্রায় বিলুপ্তির পথে

০৬ ডিসেম্বর ২০১৭, ০৫:৪৬ পিএম | জাহিদ


সফিকুল ইসরাম শিল্পী, রানীশংকৈল প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁয়ের রানীশংকৈল -হরিপুর মহাসড়কের মধ্যে রয়েছে বেশকয়টি পাবলিক যাত্রী ছাউনি।  এসব যাত্রী ছাউনিগুলোতে দোকানপাট করার ফলে- নেই কোনো অস্তিত্ব! নেই কোন অপেক্ষমান যাত্রী! আব্দুল আলীম নামে এক ভুক্তভুগী প্রবীণ মাষ্টার  বলেন-বাসের জন্য প্রায় আধাঘন্টা অপেক্ষা করছি বসার জায়গা পাইনি। 

মুন্নুজান নামে এক বিধবা মহিলা বলেন - সরকারের জায়গায় যাত্রীছাউনী অথচ মানুষের ভোগান্তীর শেষ নেই।  কলেজগামি ছাত্র নিশা বলেন, সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ আর অযত্নে-অবহেলায় হরিপুরে যাত্রী ছাউনিগুলোর বেহাল দশা।  বাসের জন্য অপেক্ষামাণ যাত্রীদের বর্ষায় বৃষ্টি আর গ্রীষ্মে প্রচন্ড রোদ থেকে রক্ষা  করতে ও বাস থামার নির্দিষ্ট স্থানে বিশ্রাম নেয়ার জন্য তৈরি করা হয় মূলত যাত্র দের জন্য ছাউনি। 

রানীশংকৈল- হরিপুরে এমন প্রায় ১০টিরও বেশি যাত্রী ছাউনি থাকলেও তিনটির অবস্থা বেশিরভাগই অব্যবহারযোগ্য।  রয়েছেও অবৈধ দখলে । আর সন্ধার পর মাদকসেবী,বখাটেদের আড্ডাখানা হয়ে দাড়িয়েছে। 

অহেতুক যাত্রী ছাউনি দখল করে আছে যা নাগরিকদের ভোগান্তিতে পরতে হচেছ প্রতিনিয়ত।  রানীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলাবাসীর অনেকেই বলছেন-অবৈধ দখল আর অব্যবহারযোগ্য যাত্রী ছাউনি ভেঙ্গে পরিকল্পিতভাবে নতুন করে নির্মাণ করলে উপকৃত হবে এলাকার সাধারণ লোকজন।  যাত্রীদের সুবিধার্থে ৮০’র দশকে নির্মিত এসব ছাউনিতে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি বরং মাদকসেবী ও ছিন্তাইকারিদের এক ধরনের আড্ডাখানা তৈরি হয়ে আছে। 

উপজেলার বটতলীছাউনি,চোরঙ্গীবাজার ছাউনি,কামারপুকুর ছাউনি সরেজমিনে দেখা গেছে, যাত্রী ছাউনীতে ব্রবহার হচ্ছে নানা প্রকার পণ্য সামগ্রীর দোকান।  আবার কোনো ছাউনির পুরোটাই দখল করে অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করা হচ্ছে।  বর্তমানে ৩টি যাত্রী ছাউনি বেহাল দশায় রয়েছে। অপর দিকে রানীশংকৈলের শিবদীঘি যাত্রী ছাউনীর একই অবস্থা দেখা যায়। 

এ বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জানান, আমরা মনে করি সরকারের অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগানো প্রয়োজন।  হরিপুর –রানীশংকৈলের যাত্রী ছাউনিগুলো অকার্যকর হয়ে গেছে।  বর্তমান পরিস্থিতে সবগুলো যাত্রী ছাউনির মেরামত প্রয়োজন।  তবে স্থানীয় লোকজন ছাউনিগুলোর পূনরায় সংস্কারের জোড় দাবি জানান। 


keya