৯:৪১ এএম, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, রোববার | | ৭ রবিউস সানি ১৪৪০




রাবিতে নবীনদের বরণ করে নিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

০৬ মার্চ ২০১৮, ০৫:২০ পিএম | সাদি


মিশকাত মিশু, রাবি বিশ্ববিদ্যালয় : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।  মঙ্গলবার সকাল ১০ টা ৩০ মিনিটে জাতীয় সংগীত  ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠের মাধ্যমে  বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ নবীনবরন অনুষ্ঠান শুরু হয়।  অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. এম এ বারী সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা  অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌস।  এরপর শিক্ষার্থীদের ফুলদিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।  এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. আনন্দ কুমার সাহা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান।  জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. প্রভাষ কুমার কর্মকার প্রমুখ। 

বেলা ১২ টার দিকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়।  এসময় নবিন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে কবিগুরুর  "আনন্দালোকে মঙ্গোলালোক" ও জাতীয় কবির "দুর্গম গিরি কান্তার  মরু দুস্তর পারাবার হে'' গান দুটির সাথে সাথে নাচ পরিবেশন করা হয়।  এর পর চলতে থাকে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। 


বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন,  "তোমরা তীব্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পেয়েছো।  বিদ্যা অর্জন করে ভালো মানুষ হবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছো, তবে বিদ্যা অর্জন করলে শুধু বিদ্যান হওয়া যায় কিন্তু শিক্ষিত হওয়া যায় না।  আশা করা যায় যারা বিদ্যা অর্জন করবে তারা শিক্ষিত হবে।  কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অনেক মেধাবী  শিক্ষার্থী খারাপ হয়ে যাচ্ছে।  তোমরা তোমাদের শিক্ষকদের প্রতি ভক্তি করবে, বিনয়ী হবে, শ্রদ্ধাবান হবে।  যিনি বিদ্বান ব্যক্তি তিনি অবশ্যই পরিশীলিত হন।  বিদ্যা অর্জনের সনদ দেখানো যেতে পারে কিন্তু তোমরা কেউ শিক্ষিত হওয়ার সনদ কেউ দেখাতে পারবে না।  কাজেই তোমরা সবাই যে স্বপ্ন  নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছো সে স্বপ্ন শিক্ষিত ও মানুষের মতো মানুষ  হওয়ার মধ্য দিয়ে পূরণ করো। "

এসময় নবীনদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নাঈম হক এবং অর্থনীতি বিভাগের নিশাত সায়েরা।