৫:২১ পিএম, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, শনিবার | | ১১ মুহররম ১৪৪০


রোববার রাইফা মৃত্যুর তদন্ত শুরু

০১ জুলাই ২০১৮, ০৫:১৬ পিএম | জাহিদ


এসএনএন২৪.কম : সাংবাদিক রুবেল খানের শিশু কন্যা রাইফার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের গাফিলতি কিনা তা তদন্ত করতে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।  কমিটিকে বলা হয়েছে দ্রুত তদন্ত শেষ করে ৫দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিতে।  ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে দায়ী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী। 

তিনি বলেন, তদন্তে যদি চিকিৎসকের গাফিলতি মিলে তবে অভিযুক্ত চিকিৎসককে কোনো ভাবেই ছাড় দেয়া হবে না। 

ঘটনাস্থল নগরের মেহেদীবাগ ম্যাক্স হাসপাতাল পরিদর্শন করে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন এসব কথা বলেন। 
এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি বলেন, তদন্ত কমিটিতে সিভিল সার্জন, পুলিশের একজন সিনিয়র অফিসারের পাশাপাশি একজন সাংবাদিক প্রতিনিধি, বিএমএ প্রতিনিধি, হাসপাতাল কমিটির নেতৃবৃন্দকে রাখা হয়েছে।  আজ (শনিবার) দিনের মধ্যে রাইফার চিকিৎসার সকল চিকিৎসাপত্র হাতে পাব।  এর পরই রোববার থেকে আমাদের তদন্ত কার্যক্রম শুরু হবে। 
এই বিষয়ে কথা হয় ম্যাক্স হাসপাতালের মহাব্যবস্থাপক রঞ্জন প্রসাদ দাশ গুপ্তের সাথে। 

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে যখন বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল তখন টনসিলাইজ্ড (গলা ব্যাথা) ছিল।  ওই সময় হাসপাতালে তাকে ডা. বিধান রায় এবং ডা. লুমনা তালুকদারের দায়িত্বে রাখা হয়। 
এর একদিন পর শুক্রবার রাতে যখন গলার ব্যথায় শিশুর জ্বর চলে আসে, ঠিক তখনই রাতে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. দেবাশীষ সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের পরামর্শে একটি ইঞ্জেকশন পুশ করতে বলেন।  পরে এনআইসিইউ’তে ভর্তি করানোর পর তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ’তে নিয়ে যাওয়া হয়।  পরে অক্সিজেন দিয়ে কিছুক্ষণ রাখার পর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় রাইফার। 

নিহত রাইফা দৈনিক সমকালের সিনিয়র প্রতিবেদক (ক্রাইম ও স্পোর্টস) রুবেল খানের একমাত্র কন্যা।  তিনি চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য ও বাংলাদেশ স্পোর্টস জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক।  কন্যার গলা ব্যাথার কারণে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসককে দেখাতে ওই হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন শিশু কন্যা রাইফাকে।  একদিন পর তার লাশ নিয়ে বাসায় ফেরেন।  আড়াই বছর আগে এই হাসপাতালেই রাফার জন্ম হয় বলে জানান সাংবাদিক রুবেল খান। 


keya