৬:৪৪ পিএম, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১, বৃহস্পতিবার | | ১৩ রজব ১৪৪২




রেমিট্যান্সে বাংলাদেশের চমক

২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৩:০৫ পিএম |


এসএনএন২৪.কমঃ ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ তিন দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশও।  প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটেনের ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। 

২০২১ সালে রেমিট্যান্স ৭ শতাংশ কমবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।  প্রবাসী আয়ে রেকর্ড করা বাকি দুই দেশ মেক্সিকো আর পাকিস্তান। 

মহামারিতে ২০২০ সালের পুরোটাই বিপর্যস্ত ছিলো বিশ্ব অর্থনীতি।  বন্ধ ছিলো আন্তর্জাতিক যোগাযোগ।  বিভিন্ন দেশে প্রবাসী আয় ছিলো নিম্নমুখী।  কিন্তু বাংলাদেশের চিত্র ভিন্ন।  ব্রিটিশ গবেষণা সংস্থা ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্ট বলছে, ২০২০ সালে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও মেক্সিকো। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯শ' ৮০ কোটি ডলার।  যেখানে ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিলো ১৮শ' ৪০ কোটি ডলার।  গেলো বছর মেক্সিকোর রেমিট্যান্স এসেছে ৪ হাজার ৫০ কোটি ডলার।  পাকিস্তানের রেমিট্যান্স এসেছে ২৪শ' ১০ কোটি ডলার।  এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ।  বিশ্বব্যাংক বলছে, ২০১৯ সালে মেক্সিকোর রেমিট্যান্স ছিলো ৩৯শ কোটি ডলার আর পাকিস্তানের রেমিট্যান্স ছিলো ২২শ' ২০ কোটি ডলার। 

কোভিড নাইনটিন অ্যান্ড মাইগ্র্যান্ট রেমিট্যান্স বিষয়ক এই প্রতিবেদনে বলা হয়, সারাবিশ্বে ২০১৯ সালের তুলনায় ২০২০ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে অন্তত ৫ হাজার কোটি ডলার।  সারাবিশ্বের বিভিন্ন দেশ গেলো বছর ৬৬ হাজার ৬শ' কোটি ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে, যেখানে ২০১৯ সালে পেয়েছিলো ৭১ হাজার ৬শ' কোটি ডলার।  ২০২১ সালেও নিম্নমুখী এ প্রবণতা অব্যাহত থাকবে বলে জানায় সংস্থাটি।  সংস্থাটি বলছে, ২০২১ সালে সারাবিশ্বে রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে ৭ শতাংশ, যেখানে ২০০৯ সালের মহামন্দার সময় রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছিলো ৫ শতাংশ। 

মহামারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।  অথচ এই রেমিট্যান্স আয়ই অনেক দরিদ্র দেশের আয়ের অন্যতম উৎস।  প্রবাসী আয় বেশি আসে এমন শীর্ষ ১০টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে ৭টিরই গেলো বছর রেমিট্যান্স কমেছে। 

প্রবাসী আয় কমার তালিকায় আছে ভারত, চীন, ফিলিপিন্স, মিসর, নাইজেরিয়া, ভিয়েতনাম ও ইউক্রেন।  ভারতে প্রবাসী আয় ২০১৯ সালের চেয়ে ৮শ' কোটি ডলার কমেছে।  ২০২০ সালে দেশটিতে প্রবাসী আয় এসেছে ৭ হাজার ৫শ' ৯০ কোটি ডলার।  চীনের প্রবাসী আয় কমেছে ৯শ' কোটি ডলার, রেমিট্যান্স এসেছে ৫ হাজার ৯শ' ৫০ কোটি ডলার।